West Bengal Railway Third Line: পুজোর আগেই বাংলার রেল ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। যাত্রী ও পণ্য পরিবহণের চাপ কমাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রুটে তৃতীয় লাইন তৈরির কাজ এগোচ্ছে। অনুমোদিত ও বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলির মাধ্যমে রাজ্যের রেল পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: পুজোর আগে বাংলার রেল পরিকাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। যাত্রী ও পণ্য পরিবহণের চাপ সামলাতে একাধিক রেলপথে তৃতীয় লাইন তৈরির কাজ এগোচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে অনুমোদিত ও বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি তৃতীয় লাইনের প্রকল্প রয়েছে। রেলের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রুটে এই পরিকাঠামোগত কাজ হয়েছে বা এগিয়ে চলেছে।
কোথায় কোথায় তৃতীয় লাইনের প্রকল্প? (West Bengal Railway Third Line)
১. সাঁইথিয়া–তারাপীঠ
এই রুটে প্রায় ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ তৃতীয় লাইন প্রকল্প রয়েছে। প্রকল্পটির উল্লেখযোগ্য অংশ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে এবং সরকারি তালিকায় এর খরচ প্রায় ১৮৬ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে।
২. ব্যান্ডেল–বৈঁচি
ব্যান্ডেল থেকে বৈঁচি পর্যন্ত প্রায় ৩১ কিলোমিটার তৃতীয় লাইন প্রকল্পের উল্লেখ রয়েছে। এই প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় প্রায় ৫৪৬ কোটি টাকা।
৩. বৈঁচি–শক্তিগড়
এই অংশে প্রায় ২৬ কিলোমিটার তৃতীয় লাইন তৈরির প্রকল্প রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় প্রায় ৪২৪ কোটি টাকা।
৪. খড়গপুর–নারায়ণগড়
দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলার গুরুত্বপূর্ণ এই রুটেও তৃতীয় লাইন তৈরির প্রকল্প রয়েছে। প্রায় ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের আনুমানিক খরচ ২৭০ কোটি টাকা।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প (West Bengal Railway Third Line)
মুর্শিদাবাদ-সহ বাংলার বিভিন্ন রেলপথে একাধিক পরিকাঠামোগত কাজ চলছে। সরকারি নথিতে চণ্ডিল–দামোদর তৃতীয় লাইন, প্রায় ১২১ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রকল্পের কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে এটি শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় এবং পূর্ব রেলের বদলে সংশ্লিষ্ট রেল জোন অনুযায়ী প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে।
কেন তৈরি হচ্ছে তৃতীয় লাইন? (West Bengal Railway Third Line)
একই রুটে ট্রেনের সংখ্যা বাড়লে লাইন ব্যবহারের চাপও বাড়ে। তৃতীয় লাইন তৈরি হলে একই করিডরে আরও বেশি ট্রেন চালানো, পণ্যবাহী ট্রেনের চলাচল সহজ করা এবং ব্যস্ত রুটে ট্রেন দাঁড় করিয়ে রাখার প্রয়োজন কমানো সম্ভব হয়। এর ফলে ভবিষ্যতে যাত্রী পরিষেবা আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।
পুজোর আগে যাত্রীদের জন্য এর গুরুত্ব (West Bengal Railway Third Line)
দুর্গাপুজোর সময় বাংলার বিভিন্ন রুটে যাত্রীসংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। ফলে রেলের পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং অতিরিক্ত লাইন তৈরি ভবিষ্যতের পরিষেবা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তবে পুজোর আগেই এই সব প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ হবে বা সবকটি প্রকল্পে নতুন করে কাজ শুরু হবে—এমন নির্দিষ্ট ঘোষণা সরকারি নথিতে নেই। প্রকল্পের কাজের গতি জমি, অনুমোদন, প্রযুক্তিগত পরিস্থিতি ও অন্যান্য একাধিক বিষয়ের উপর নির্ভর করে।
এক নজরে
| রুট | তৃতীয় লাইনের দৈর্ঘ্য | সরকারি নথিতে উল্লেখিত ব্যয় |
|---|---|---|
| সাঁইথিয়া–তারাপীঠ | ২২ কিমি | ₹১৮৬ কোটি |
| ব্যান্ডেল–বৈঁচি | ৩১ কিমি | ₹৫৪৬ কোটি |
| বৈঁচি–শক্তিগড় | ২৬ কিমি | ₹৪২৪ কোটি |
| খড়গপুর–নারায়ণগড় | ২৪ কিমি | ₹২৭০ কোটি |
অর্থাৎ, পুজোর আগে রেলের তৃতীয় লাইন নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলির মধ্যে রয়েছে সাঁইথিয়া–তারাপীঠ, ব্যান্ডেল–বৈঁচি, বৈঁচি–শক্তিগড় এবং খড়গপুর–নারায়ণগড়। তবে “পুজোর আগে কাজ শুরু”র নির্দিষ্ট সময়সীমা নিয়ে সরকারি ভাবে নিশ্চিত ঘোষণা না থাকায় সেটিকে নিশ্চিত খবর হিসেবে দেখানো ঠিক হবে না।
#WestBengalRailway #RailwayThirdLine #IndianRailways #RailwayInfrastructure #ThirdLineProject #RailwayDevelopment #WestBengalTrains #RailwayNews
সাম্প্রতিক পোস্ট
স্কুলের শৌচাগারে সাপ! নামী বেসরকারি স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন, কী বলছে কর্তৃপক্ষ
নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে আসল কারণ কী? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
অভিজিৎ দীপকে কি তবে এবার বিজেপিতে? রাজনৈতিক প্রস্তাব ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা
ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতা, হাইকোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ, কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের পদক্ষেপ কী?

