Young Candidates in West Bengal Election Politics 2026: প্রতিটি রাজনৈতিক দলই ভবিষ্যতের নেতৃত্ব গড়তে তরুণ মুখকে তুলে আনছে— নতুন প্রজন্মই বহন করবে দলের আদর্শ, শক্তি ও অস্তিত্ব। রাজনীতির ময়দানে সেই তরুণ তুর্কিদের নিয়েই আজকের বিশেষ প্রতিবেদন।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে প্রধান বিরোধী বিজেপি, এমনকি বামফ্রন্ট— সব শিবিরেই এবার উঠে এসেছে একাধিক নতুন মুখ। কেউ তিরিশের নীচে, কেউ বা তিরিশ থেকে চল্লিশের মধ্যে— এই তরুণ প্রার্থীরাই এখন প্রচারের কেন্দ্রে। জোরকদমে মাঠে নেমে তারা যেমন নজর কাড়ছেন, তেমনই বাড়ছে জনতার মধ্যে তাদের গ্রহণযোগ্যতাও। সেই সব উদীয়মান মুখদের নিয়েই নিউজ অফবিটের আজকের বিশেষ প্রতিবেদন।
তৃণমূল কংগ্রেসের তরুণ তুর্কিরা (Young Candidates in West Bengal Election Politics 2026)
প্রথমেই আসা যাক রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের কথায়। এবারের নির্বাচনে তৃণমূলের তরুণ তুর্কিদের তালিকায় রয়েছেন একাধিক নতুন মুখ— রাজগঞ্জ থেকে স্বপ্না বর্মণ, তুফানগঞ্জ থেকে শিবশঙ্কর পাল, চুঁচুড়া থেকে দেবাংশু ভট্টাচার্য এবং বাগদা থেকে মধুপর্ণা ঠাকুর, যিনি মমতাবালা ঠাকুরের কন্যা। এছাড়াও, দলের অন্যতম কনিষ্ঠ প্রার্থী। বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন ঋতুপর্ণা আঢ্য। তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম উল্লেখযোগ্য প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডে, যিনি একজন সামাজিক কর্মী ও অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত। এই প্রথমবার তিনি সরাসরি ভোটের ময়দানে নেমেছেন। যদিও তিনি প্রবীণ রাজনীতিক সাধন পাণ্ডের কন্যা, ফলে রাজনীতি তাঁর রক্তে রয়েছে বলেই মনে করা হয়।
তবে শুধুমাত্র পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয়ের জন্য নয়, নিজের সামাজিক কাজকর্মের মাধ্যমেও এলাকায় তিনি যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। সেই জনপ্রিয়তাকেই ভিত্তি করে এবারের নির্বাচনে তিনি ভোটারদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছেন।
স্বপ্না বর্মণ: তৃণমূল কংগ্রেসের তরুণ মুখদের মধ্যে অন্যতম উজ্জ্বল নাম স্বপ্না বর্মণ। রাজগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন তিনি। রাজনীতিতে আসার আগেই স্বপ্নার একটি শক্তিশালী পরিচয় রয়েছে— তিনি একজন সোনা জয়ী অ্যাথলিট। রেলের চাকরি ছেড়ে এবার তিনি পা রেখেছেন সক্রিয় রাজনীতির ময়দানে, আর তৃণমূল কংগ্রেস তাঁকে সেই সুযোগ দিয়েছে রাজগঞ্জ থেকে প্রার্থী করে।
প্রচারের শুরু থেকেই স্বপ্না বর্মণ স্পষ্ট করে দিয়েছেন তাঁর লক্ষ্য— এলাকার সার্বিক উন্নয়ন। তিনি জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পকে আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা এবং সেই সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার।
এর পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিকেও তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিশেষ করে যুব সমাজের জন্য চাকরির সুযোগ তৈরি করা এবং বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাকেই তিনি তাঁর মূল লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরেছেন। নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে স্বপ্না জানিয়েছেন, আগামী দিনে যুব উন্নয়নই হবে তাঁর কাজের কেন্দ্রবিন্দু।
দেবাংশু ভট্টাচার্য: তৃণমূল কংগ্রেসের তরুণ প্রার্থীদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য নাম দেবাংশু ভট্টাচার্য, যাঁর বয়স তিরিশের নিচে। চুঁচুড়া কেন্দ্র থেকে এবারে প্রার্থী হয়েছেন তিনি। যদিও এই প্রথমবার ভোটের ময়দানে নামছেন না দেবাংশু— ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তমলুক কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি।
পেশাগতভাবে নিজেকে তিনি সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, যা তাঁর আগের নির্বাচনের হলফনামাতেও উল্লেখ ছিল। গতবার জয় না পেলেও এবারে তিনি জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নকেই নিজের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরেছেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে দেবাংশু সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা করেছেন। তিনি এলিট ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট থেকে ২০১৭ সালে অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন (AICTE) অনুমোদিত কোর্স সম্পন্ন করেন।
তাঁর হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলাও রয়েছে। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে সামগ্রিক উন্নয়নকেই তিনি নিজের মূল লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরেছেন।
মধুপর্ণা ঠাকুর: তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম কনিষ্ঠ প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর বাগদা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই রাজনীতি তাঁর রক্তে— মা মমতাবালা ঠাকুর এবং শান্তনু ঠাকুরের রাজনৈতিক প্রভাবেই তিনি এই পথে আসেন। মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসেবেও শুরু থেকেই তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন।
বর্তমানে রাজনীতির পাশাপাশি তিনি পড়াশোনাও চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বিভিন্ন IT পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা করেছেন তিনি।
মধুপর্ণা জানিয়েছেন, তাঁর মূল লক্ষ্য এলাকার উন্নয়ন— বিশেষ করে রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা, বিদ্যুতের সমস্যা এবং সেতুর অভাব দূর করা। নির্বাচিত হলে প্রত্যেকটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া, রাস্তা ও ব্রিজের উন্নয়ন এবং সামগ্রিক পরিকাঠামো উন্নয়নেই তিনি জোর দেবেন।
ঋতুপর্ণা আঢ্য: বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য। নিজেকে তিনি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে পরিচয় দিলেও, তাঁর রাজনৈতিক যাত্রার পেছনে রয়েছে পারিবারিক ঐতিহ্য। ছোটবেলা থেকেই রাজনৈতিক পরিবেশে বড় হওয়ায় রাজনীতির প্রতি তাঁর আগ্রহ তৈরি হয়। শুধু ইনফ্লুয়েন্সার নন, তিনি একজন উদ্যোক্তাও।
ঋতুপর্ণার পরিবার রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট পরিচিত— তাঁর বাবা ও মা দুজনেই বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান ছিলেন। বর্তমানে তিনি নিজেও বনগাঁ পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন। যদিও একসময় রেশন দুর্নীতি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, তবুও তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন।
তিনি স্বীকার করেছেন যে বর্তমানে কর্মসংস্থানের অভাব একটি বড় সমস্যা। তাই তাঁর মূল লক্ষ্য যুব প্রজন্ম, বিশেষ করে Gen Z ভোটারদের কাছে পৌঁছনো। সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে তিনি প্রচার চালাচ্ছেন, পাশাপাশি জনসংযোগও বাড়াচ্ছেন। এলাকার সার্বিক উন্নয়নই তাঁর প্রধান লক্ষ্য বলে তিনি জানিয়েছেন।

বিজেপির আক্রমণাত্মক তরুণ তুর্কি (Young Candidates in West Bengal Election Politics 2026)
সন্তু পান: এবার আসা যাক রাজ্যের অন্যতম প্রধান বিরোধী দল বিজেপির তরুণ মুখদের কথায়। এই তালিকায় উল্লেখযোগ্য নাম সাংবাদিক সন্তু পান, যিনি তারকেশ্বর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত সন্তু পান এবার সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নেমেছেন। সাংবাদিকতার সময়কার মতোই তাঁর আক্রমণাত্মক ভঙ্গি নির্বাচনী প্রচারেও স্পষ্ট— রাজ্যের শাসকদল ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বারবার সরব হতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। প্রথমবার নির্বাচনে লড়লেও জনসংযোগ বাড়ানো এবং মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তোলাকেই তিনি তাঁর প্রচারের মূল লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরছেন।
অন্যদিকে, পূর্ব বর্ধমানের ভাতার কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন আরেক তরুণ মুখ সৌমেন কার্ফা। বয়সে তরুণ এই প্রার্থীও জোরকদমে প্রচারে নেমেছেন এবং নিজের এলাকায় জনসংযোগ বাড়ানোর ওপরই জোর দিচ্ছেন।
বামফ্রন্টের উজ্জ্বল তরুণ মুখ (Young Candidates in West Bengal Election Politics 2026)
দীপ্সিতা ধর: সিপিএমের পক্ষ থেকেও এবারের নির্বাচনে একাধিক তরুণ মুখকে দেখা যাচ্ছে ভোটের ময়দানে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম দীপ্সিতা ধর, যিনি বামপন্থী ছাত্র রাজনীতির পরিচিত মুখ। বর্তমানে তিনি স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI)-এর সর্বভারতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।
শিক্ষাগত দিক থেকেও তিনি অত্যন্ত মেধাবী— আশুতোষ কলেজ থেকে ভূগোলে স্নাতক হওয়ার পর একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন এবং পরে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) থেকে দর্শনশাস্ত্রে পিএইচডি করেন।
রাজনৈতিক আন্দোলনের ক্ষেত্রেও দীপ্সিতা ধর বরাবরই সরব। নবান্ন অভিযানের সময় পুলিশের লাঠিচার্জ ও জলকামানের মুখেও তিনি দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন— মাথা উঁচু করে, চোখে চোখ রেখে কথা বলার সেই দৃশ্য বিশেষভাবে নজর কাড়ে। একটি সুস্থ সমাজ গঠনের লক্ষ্য নিয়েই তিনি এবারের ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে উত্তর দমদম কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন।
আফরিন বেগম: তরুণ তুর্কিদের তালিকায় বামফ্রন্টের অন্যতম উল্লেখযোগ্য মুখ আফরিন বেগম, যিনি বালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন। অল্প সময়ের মধ্যেই রাজনীতিতে তাঁর উত্থান চোখে পড়ার মতো— কার্যত উল্কাগতিতে তিনি উঠে এসেছেন রাজনীতির মূল স্রোতে।
মাত্র ২৯ বছর বয়সী আফরিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার ছাত্রী এবং ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি আগেই নজর কাড়েন। বিশেষ করে, কয়েক বছর আগে র্যাগিংয়ে ছাত্রমৃত্যুর অভিযোগে যখন উত্তাল হয়েছিল ক্যাম্পাস, তখনও তিনি সরব ভূমিকা নেন।
দলের একটি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মূল ধারার রাজনীতিতে তাঁর প্রবেশ, তারপর ধীরে ধীরে সংগঠনের ভেতরে নিজের জায়গা তৈরি করে এবারে সরাসরি নির্বাচনী লড়াইয়ে নামা— এই পুরো পথটাই যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।
বালিগঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে তাঁর প্রতিপক্ষ প্রবীণ রাজনীতিক হলেও, তরুণ প্রার্থী হিসেবে আফরিন বেগম ইতিমধ্যেই প্রচারে নজর কাড়ছেন এবং একাংশ ভোটারের মধ্যে আকর্ষণ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।
বামফ্রন্টের তরুণ মুখদের মধ্যে আরও দু’টি উল্লেখযোগ্য নাম হল কলতান দাশগুপ্ত এবং সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। কলতান দাশগুপ্ত পানিহাটি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন, অন্যদিকে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি পেশায় একজন অ্যাডভোকেট, তিনি মহেশতলা কেন্দ্র থেকে লড়াই করছেন। দুজনেই বামফ্রন্টের তরুণ তুর্কি হিসেবে ইতিমধ্যেই প্রচারে নজর কাড়ছেন এবং নিজেদের মতো করে ভোটারদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তরুণ তুর্কিদের উপস্থিতি এক নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিভিন্ন দলের এই নতুন মুখরা শুধু প্রচারের আলোতেই নয়, জনসংযোগ ও ভাবনায়ও এক ভিন্ন ধারা আনতে চাইছেন। কেউ সামাজিক কাজের মাধ্যমে, কেউ ছাত্র আন্দোলন থেকে, কেউ বা পেশাগত পরিচয় নিয়ে রাজনীতিতে এসে নিজেদের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছেন।
তবে শেষ কথা বলবে ভোটবাক্সই— এই তরুণ প্রজন্মের (Young Candidates in West Bengal Election Politics 2026) উপর কতটা আস্থা রাখছেন সাধারণ মানুষ, সেটাই নির্ধারণ করবে আগামী দিনের রাজনীতির দিশা। কিন্তু এটা স্পষ্ট, নতুন প্রজন্মের এই উত্থান ভবিষ্যতের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
#WestBengalElection2026, #YoungCandidatesBengal #MadhuparnaThakur #DebangshuBhattacharya #TMC #BJP #LeftFront #CPM #IndianPolitics #Election2026 #PoliticalNews #BengalElection
সাম্প্রতিক পোস্ট
- বৃদ্ধ বয়সে ডিভোর্স চাইছেন পঙ্কজ-ডিম্পল! মাঝখানে ফেঁসে গেলেন অপরশক্তি খুরানা?
- ‘গুজারিশ’-এর ইথান মাসকারেনহাস আজ বাস্তব! ১৩ বছরের যন্ত্রণার অবসান, দেশে প্রথমবার ইউথেনেশিয়া (নিষ্কৃতিমৃত্যুর) অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের
- স্বেচ্ছামৃত্যু কি ভারতে বৈধ? স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন কে করতে পারেন? ভারতে ইউথানেসিয়া নিয়ে কী বলছে আইন
- মাছ-মাংস না খেলেও শরীর থাকবে ফিট! জেনে নিন, ৩টি হেলদি সুস্বাদু নিরামিষ রেসিপি
- যোটক বিচার কি সত্যিই কাজ করে? বিয়ের আগে আসলে কোনটা জরুরি, কী বলছে আধুনিক বিজ্ঞান?

