Af-Pak War Global Impact: আফ–পাক যুদ্ধের প্রভাব ঘিরে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে; বিশ্ব রাজনীতির নতুন মেরুকরণে দক্ষিণ এশিয়ার শক্তির ভারসাম্য, নিরাপত্তা সমীকরণ ও ভারতের ওপর সম্ভাব্য সুদূরপ্রসারী প্রভাব নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি সকালে উঠে খবরের কাগজ খুললে বা টিভির পর্দা ওল্টালে এখন শুধু একটাই দৃশ্য দেখতে পান—যুদ্ধ, ধ্বংস আর বারুদের ধোঁয়া। পূর্ব ইউরোপে রাশিয়া ও ইউক্রেনের লড়াই থামার কোনো লক্ষণ নেই। মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েল এবং হামাসের সংঘাতে প্রতিদিন নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে। আর এবার, সেই যুদ্ধের আগুন এসে পৌঁছে গেল একেবারে আমাদের ঘরের দোরগোড়ায়। দক্ষিণ এশিয়া এখন আক্ষরিক অর্থেই এক ফুটন্ত আগ্নেয়গিরি। আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের মধ্যে শুরু হওয়া সীমান্ত সংঘাত এখন আর শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক কূটনীতির (International Diplomacy) দাবার চালে এই সংঘাত এক বিশ্বজনীন রূপ নিতে চলেছে, যা দেখে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা প্রমাদ গুনছেন। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগছে—আমরা কি তবে আরও একটি বড়সড় যুদ্ধের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছি? Af-Pak War Global Impact বা এই যুদ্ধের বিশ্বব্যাপী প্রভাব এখন আন্তর্জাতিক মহলের সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই যুদ্ধে সরাসরি ভারতের কোনো ভূমিকা না থাকলেও, আন্তর্জাতিক সমীকরণে ভারতকে বারবার টেনে আনা হচ্ছে। একদিকে আমেরিকার প্রাক্তন ও বর্তমান নেতৃত্ব সরাসরি পাকিস্তানের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন, অন্যদিকে পাকিস্তান তাদের এই বিপদের জন্য সরাসরি কাঠগড়ায় তুলছে নয়াদিল্লিকে। আসুন, খবরের ভেতরের খবরটা একটু তলিয়ে দেখি। বিশ্ব রাজনীতির এই নতুন মেরুকরণে (Geopolitical Polarization) কে কার দিকে হেলে আছে, আর আমাদের দেশ ভারতের ভবিষ্যৎ রণকৌশলই বা কী হতে চলেছে—তা নিয়ে এক বিস্তারিত আড্ডায় বসা যাক।
পাকিস্তানের অভিযোগ ও ভারতের অবস্থান
যেকোনো দেশ যখন চরম অভ্যন্তরীণ সংকটে পড়ে, তখন তাদের সবচেয়ে সহজ কৌশল হয় বাইরের কোনো ‘শত্রু’র দিকে আঙুল তোলা। পাকিস্তান ঠিক সেই কাজটাই করছে। আফগান তালিবানদের সঙ্গে তাদের সংঘাতের মূল কারণ হলো ‘তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান’ বা টিটিপি (TTP)। কিন্তু পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাবি করছে যে, আফগান তালিবানদের এই দুঃসাহসের পেছনে আসলে ভারতের ইন্ধন রয়েছে। ইসলামাবাদের অভিযোগ, নয়াদিল্লি নাকি আফগানিস্তানকে আর্থিক এবং সামরিকভাবে সাহায্য করছে, যাতে পাকিস্তান তার পশ্চিম সীমান্তে ব্যস্ত থাকে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের (Diplomatic Analysts) মতে, পাকিস্তানের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন হলেও এর পেছনে একটা সুনির্দিষ্ট অঙ্ক রয়েছে। পাকিস্তান চাইছে এই যুদ্ধকে একটি ‘ভারত-পাক’ ছায়াযুদ্ধ (Proxy War) হিসেবে তুলে ধরতে। এর ফলে তারা খুব সহজেই আমেরিকার মতো দেশের সহানুভূতি এবং সামরিক সাহায্য আদায় করতে পারবে। একইসঙ্গে, দেশের সাধারণ মানুষকে ‘ভারতের ষড়যন্ত্র’ বলে বুঝিয়ে নিজেদের চরম অর্থনৈতিক ও সামরিক ব্যর্থতা ঢাকার আপ্রাণ চেষ্টাও চলছে।
বাস্তবে ভারত আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের জন্য বরাবরই বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। সে সেদেশের পার্লামেন্ট ভবন তৈরি করে দেওয়া হোক, বা সলমা ড্যাম (Salma Dam) নির্মাণ—ভারত আফগানিস্তানের পুনর্গঠনে কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। ভারত কখনোই কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধে ইন্ধন জোগায় না, বরং মানবিকতার খাতিরে সেখানে হাজার হাজার টন গম এবং ওষুধ পাঠিয়েছে। ভারতের বিদেশনীতি সর্বদা শান্তি ও স্থিতিশীলতার (Peace and Stability) পক্ষে কথা বলে।
ট্রাম্পের বার্তা ও আমেরিকার নতুন চাল
এই পুরো সংঘাতে সবচেয়ে বড় চমকটা এসেছে ওয়াশিংটন থেকে। হোয়াইট হাউসের মসনদে বসে ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে আমেরিকা পাকিস্তানের পাশে আছে। কিন্তু হঠাৎ কেন আমেরিকা পাকিস্তানকে সমর্থন করল? এর পেছনে রয়েছে আমেরিকার দীর্ঘমেয়াদী ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ (Geopolitical Interest)। মনে রাখতে হবে, ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনার লজ্জাজনক প্রত্যাহারের ঘটনা আমেরিকা আজও ভুলতে পারেনি। তালিবানদের হাতে সেই পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার একটা সুপ্ত বাসনা পেন্টাগনের রয়েছে। এখন পাকিস্তান যখন তালিবানদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, ট্রাম্প প্রশাসন একে একটা সুযোগ হিসেবে দেখছে। পাকিস্তানকে সমর্থন করে আমেরিকা এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চাইছে। প্রথমত, তালিবানদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তাদের দুর্বল করা। দ্বিতীয়ত, দক্ষিণ এশিয়ায় আমেরিকার প্রভাব নতুন করে কায়েম করা। ট্রাম্পের এই বার্তা আফগান সরকারের জন্য একটি বিরাট বড় ধাক্কা। এর অর্থ হলো, পাকিস্তানকে হয়তো আমেরিকা নতুন করে সামরিক সরঞ্জাম বা আর্থিক অনুদান দিতে পারে।
আমেরিকার এই পদক্ষেপে দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে। কারণ, পাকিস্তান যদি আমেরিকার মদত পেয়ে আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠে, তবে আফগানিস্তানও চুপ করে বসে থাকবে না। তারা হয়তো রাশিয়া বা চিনের মতো পরাশক্তিগুলোর (Superpowers) দ্বারস্থ হতে পারে। আর ঠিক তখনই একটি আঞ্চলিক সংঘাত গ্লোবাল ওয়ার বা বিশ্বযুদ্ধের চেহারা নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
সৌদি আরবের ভূমিকা ও ইসলামিক বিশ্বের নজর
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই সৌদি আরবের তরফ থেকে পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বকে ফোন করা হয়েছে। এই একটি ফোনকল আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে অনেক বড় অর্থ বহন করে। সৌদি আরব বরাবরই সুন্নি মুসলিম বিশ্বের অঘোষিত নেতা। পাকিস্তানের অর্থনীতি (Economy) অনেকটাই সৌদি অনুদান এবং তেলের ওপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে, আফগানিস্তানের তালিবান সরকারও কট্টর ইসলামিক মতাদর্শে বিশ্বাসী। তাই এই দুই দেশের সংঘাতে সৌদি আরব অত্যন্ত সতর্ক পা ফেলছে।
রিয়াদ কোনোভাবেই চাইছে না যে এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হোক। কারণ, এই অঞ্চল অস্থিতিশীল হলে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে তেলের বাজারে এবং গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনে (Global Supply Chain)। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সৌদি আরব পাকিস্তানকে নৈতিক সমর্থন দিলেও, তলায় তলায় তারা মধ্যস্থতাকারীর (Mediator) ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করবে। কারণ, মধ্যপ্রাচ্য এমনিতেই ইজরায়েল-হামাস দ্বন্দ্বে জ্বলছে। এর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন করে ইসলামিক দেশগুলোর মধ্যে লড়াই শুরু হলে গোটা বিশ্বের মুসলিম রাজনীতিতে একটি বড়সড় ফাটল দেখা দিতে পারে।
এছাড়া, এই যুদ্ধে ইরানের ভূমিকাও খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। আফগানিস্তানের সঙ্গে ইরানের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। আফগানিস্তানে যদি চরম মানবিক সংকট তৈরি হয়, তবে লক্ষ লক্ষ শরণার্থী (Refugees) ইরানে প্রবেশ করতে পারে। তাই ইরানও এই পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। সব মিলিয়ে, ইসলামিক দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এই যুদ্ধের ফলে এক নতুন পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছে।
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনা ও বৈশ্বিক অর্থনীতি
এই প্রশ্নটাই এখন সবার মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। একযোগে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ায় যুদ্ধ চলায় অনেকেই একে ‘মিনি ওয়ার্ল্ড ওয়ার’ বা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের (Third World War) প্রিক্যুয়েল বলে মনে করছেন। তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা এখনই এতটাও হতাশ হতে রাজি নন। তাঁদের মতে, এটি কোনো প্রথাগত বিশ্বযুদ্ধ নয়, বরং এটি হলো ‘মাল্টিপোলার ওয়ার্ল্ড’ (Multipolar World) বা বহুমেরু বিশ্বের এক নতুন ধরনের সংঘাত। আমেরিকা বা রাশিয়ার মতো সুপারপাওয়াররা এখন আর সরাসরি যুদ্ধে জড়ায় না।
তারা ছোট দেশগুলোকে ব্যবহার করে ছায়াযুদ্ধ (Proxy War) লড়ে। আফগান-পাক যুদ্ধও তেমনই একটি ছায়াযুদ্ধ। এটি পারমাণবিক যুদ্ধে (Nuclear War) পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। কিন্তু এই যুদ্ধগুলো বিশ্ব অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়ছে, শেয়ার বাজারে অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে এবং মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) বাড়ছে। তাই সরাসরি আমাদের ওপর বোমা না পড়লেও, এই বিশ্বযুদ্ধের অর্থনৈতিক আঁচ আপনার-আমার রান্নাঘর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে।
এই ধরনের সংঘাতের ফলে জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে পারে। ভারত তার প্রয়োজনীয় তেলের এক বিশাল অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে আমাদের দেশেও পরিবহন খরচ বাড়বে, যার জেরে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হতে পারে। একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে বিশ্ব রাজনীতির এই খেলা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
ভারতের ভবিষ্যৎ রণকৌশল ও জাতীয় সুরক্ষা
একজন সাধারণ ভারতীয় নাগরিক হিসেবে আপনার মনে হতেই পারে যে, পাশের দেশে যুদ্ধ হলে আমাদের কী? এর উত্তর হলো—অনেক কিছুই হতে পারে। পাকিস্তান যদি আফগানিস্তানের কাছে পর্যুদস্ত হয়, তবে তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে। সেই সুযোগে বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী (Terrorist Groups) ভারতের কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা বাড়াতে পারে। তাই ভারতীয় সেনাকে এখন জাতীয় সুরক্ষার (National Security) স্বার্থে আগের চেয়েও অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে।
অন্যদিকে, আমেরিকা যদি পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ হয়, তবে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কে কিছুটা হলেও টানাপোড়েন দেখা দিতে পারে। ভারতকে তখন রাশিয়া এবং আমেরিকার মধ্যে ব্যালেন্স করে অত্যন্ত সাবধানে পা ফেলতে হবে। ভারত সবসময়ই আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পক্ষে সওয়াল করেছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের (United Nations) মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারত বারবার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। এই পরিস্থিতিতেও নয়াদিল্লি অত্যন্ত শান্ত এবং পরিপক্ব কূটনীতির পরিচয় দিচ্ছে।
যুদ্ধ কোনোদিন কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে না। ইতিহাস সাক্ষী, অস্ত্রের ঝনঝনানি শুধু নিরীহ মানুষের রক্ত ঝরায় আর শিশুদের ভবিষ্যৎ কেড়ে নেয়। ভারত একটি দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে কখনোই চাইবে না তার প্রতিবেশী দেশগুলো ধ্বংসের মুখে পড়ুক। কারণ আগুন যখন একবার লাগে, তখন তা শুধুমাত্র একটি ঘরে সীমাবদ্ধ থাকে না, পাশের ঘরেও ছড়িয়ে পড়ার ভয় থাকে। ভারত তার নিজস্ব ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করেই এই অঞ্চলের শান্তির জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
পরিশেষে বলা যায়, বিশ্ব রাজনীতির এই জটিল দাবা খেলায় শেষ পর্যন্ত কে জিতবে তা হয়তো সময় বলবে। কিন্তু এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি হলো সংঘাত থামানো। আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান—দুই দেশই চরম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের মুখে খাবার নেই, অথচ আকাশে উড়ছে কোটি কোটি টাকার যুদ্ধবিমান। এই অমানবিক পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ হলো আন্তর্জাতিক মহলের সঠিক হস্তক্ষেপ এবং শান্তি আলোচনা।
#newsoffbeat #worldpolitics #globalnews #southasia #indiaforeignpolicy
সাম্প্রতিক পোস্ট
- স্মার্ট সিটির কর্পোরেট চাকচিক্যের আড়ালে ‘বিষ-জল’! আইটি হাবের ঠিকানায় সাপুরজির ই-ব্লকে হাহাকার
- ভাগ্য বদলাতে চান? গ্রহের প্রতিকার হিসেবে এই রঙের পোশাকই হতে পারে চাবিকাঠি!
- টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের জয় অব্যাহত │ লণ্ডভণ্ড চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান
- মঞ্চে উঠলেই ভয়? │ পাবলিক স্পিকিং ভীতি কাটানোর ৫টি কৌশল জানুন এখনই
- গায়ে হঠাৎ র্যাশ? মিথ ভেঙে জানুন, চিকেন পক্সের এই লক্ষণগুলো

