Apple MacBook Neo Review for Students: বাজেট ল্যাপটপ মানেই কি সস্তা প্লাস্টিকের বডি আর হ্যাং হয়ে যাওয়া স্ক্রিন? পড়ুয়াদের এই দীর্ঘদিনের আক্ষেপ মেটাতে অ্যাপল নিয়ে এল তাদের সবচেয়ে সস্তা ল্যাপটপ—MacBook Neo। দাম মাত্র ৫৯,৯০০ টাকা! কিন্তু আইফোনের প্রসেসর দিয়ে তৈরি এই ল্যাপটপ কি সত্যিই আপনার কলেজের প্রজেক্ট বা কোডিংয়ের জন্য উপযুক্ত? এর চমকে দেওয়া সুবিধাগুলোর পাশাপাশি কিছু চরম হতাশার দিকও রয়েছে। কেনার আগে পড়ে নিন সম্পূর্ণ এবং খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি যদি একজন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া হন, তবে ল্যাপটপ কেনার সময় নিশ্চয়ই আপনি একটা বড়সড় দ্বিধায় পড়েন। একদিকে থাকে সস্তা দামের উইন্ডোজ ল্যাপটপ বা ক্রোমবুক (Chromebook), যেগুলো কিছুদিন পরেই স্লো হয়ে যায় বা যার সস্তা প্লাস্টিকের বডি সহজেই ভেঙে যাওয়ার ভয় থাকে। অন্যদিকে থাকে অ্যাপলের ম্যাকবুক (MacBook), যার পারফরম্যান্স বা বিল্ড কোয়ালিটি নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু তার আকাশছোঁয়া দাম মধ্যবিত্ত পরিবারের নাগালের একদম বাইরে।
পড়ুয়াদের এই দীর্ঘদিনের শূন্যস্থান পূরণ করতেই প্রযুক্তি জগতে এক বিরাট চমক দিল অ্যাপল (Apple)। মূল্যবৃদ্ধি এবং চড়া দামের বাজারে ক্রেতাদের স্বস্তি দিতে অ্যাপল নিয়ে এসেছে তাদের ল্যাপটপ লাইন-আপের সবচেয়ে নতুন এবং সাশ্রয়ী মডেল—MacBook Neo।
সবচেয়ে বড় চমক হলো, এই ল্যাপটপটি কোনো প্রথাগত ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ প্রসেসরে চলছে না, এটি চলছে একটি স্মার্টফোনের বা আইফোনের (iPhone) চিপে! শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। আজ NewsOffBeat-এর ‘টেক-নো’ বিভাগে আমরা এই নতুন ম্যাকবুক নিও-এর সম্পূর্ণ ব্যবচ্ছেদ করব। একজন ছাত্র বা ছাত্রী হিসেবে আপনার কি জমানো টাকা দিয়ে এই ল্যাপটপটি কেনা উচিত? সস্তার এই ম্যাকবুকে অ্যাপল ঠিক কোন কোন জায়গাগুলোতে আপস (Compromise) করেছে? আসুন, প্রতিটি তথ্য খুঁটিয়ে দেখে নেওয়া যাক।
দাম এবং অফার: পকেটে কতটা টান পড়বে?
ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে ভারতীয় পড়ুয়াদের কাছে সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর হলো বাজেট। অ্যাপল এই ম্যাকবুক নিও-কে ম্যাকবুক এয়ার (MacBook Air)-এর থেকেও কম দামে বাজারে এনেছে।
ভারতে এই ল্যাপটপটির সাধারণ দাম রাখা হয়েছে ৬৯,৯০০ টাকা (₹69,900)। কিন্তু আপনি যদি একজন পড়ুয়া হন এবং আপনার কাছে ভ্যালিড স্টুডেন্ট আইডি (Student ID) থাকে, তবে অ্যাপলের ‘এডুকেশন প্রাইস’ (Education price) অনুযায়ী আপনি এটি মাত্র ৫৯,৯০০ টাকায় (₹59,900) পেয়ে যাবেন। ইতিমধ্যেই এর প্রি-অর্ডার (Pre-orders) শুরু হয়ে গেছে এবং আগামী ১৩ই মার্চ থেকে ল্যাপটপটি বাজারে উপলব্ধ হবে। ম্যাক ইকোসিস্টেমে (Mac ecosystem) ঢোকার জন্য এর থেকে সস্তা এবং ভালো সুযোগ আগে কখনো আসেনি।

পারফরম্যান্স: ল্যাপটপের শরীরে আইফোনের মস্তিষ্ক!
পড়ুয়াদের মনে সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটা ঘুরছে তা হলো—ল্যাপটপে আবার আইফোনের প্রসেসর কেন? এটি কি আদৌ ল্যাপটপের ভারী কাজ সামলাতে পারবে? অ্যাপল জানিয়েছে, ম্যাকবুক নিও-তে ব্যবহার করা হয়েছে তাদের অত্যাধুনিক A18 Pro চিপ (A18 Pro chip)। এই একই চিপ মূলত তৈরি করা হয়েছিল অ্যাপলের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন iPhone 16 Pro-এর জন্য। এই প্রসেসরের মধ্যে রয়েছে একটি ফাইভ-কোর জিপিইউ (five-core GPU) এবং একটি ১৬-কোর নিউরাল ইঞ্জিন (16-core Neural Engine), যা সরাসরি ডিভাইসের ভেতরেই মেশিন-লার্নিং (machine-learning) এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই (AI) ফিচারগুলোকে চালাতে সাহায্য করবে।
পারফরম্যান্সের দিক থেকে এটি কিন্তু মোটেও পিছিয়ে নেই। অ্যাপলের দাবি, দৈনন্দিন কাজ যেমন—ওয়েব ব্রাউজিং, ভিডিও স্ট্রিমিং, ডকুমেন্ট তৈরি করা এবং হালকা ফটো এডিটিংয়ের ক্ষেত্রে এটি Intel Core Ultra 5 প্রসেসর যুক্ত বেস্ট-সেলার পিসি (PC) ল্যাপটপগুলোর থেকে বেশ অনেকটাই সুপার-ফাস্ট। নির্দিষ্ট কিছু এআই ওয়ার্কলোড বা এআই-ভিত্তিক কাজে এটি অন্যান্য ল্যাপটপের তুলনায় তিন গুণ পর্যন্ত বেশি দ্রুত কাজ করতে পারে। অর্থাৎ, আপনি যদি ক্লাসের অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করেন, এক ডজন ব্রাউজার ট্যাব খুলে রিসার্চ করেন, বা শখের ফটো এডিট করেন—A18 Pro চিপ আপনাকে কোনোভাবেই নিরাশ করবে না।
ডিজাইন ও ডিসপ্লে: সস্তার ল্যাপটপে প্রিমিয়াম ফিল
ক্রোমবুক বা সস্তা উইন্ডোজ ল্যাপটপগুলোর সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো তাদের বিল্ড কোয়ালিটি বা গঠন। সেগুলো মূলত প্লাস্টিকের তৈরি হয়। কিন্তু দাম কম হওয়া সত্ত্বেও অ্যাপল তাদের ডিজাইনের সঙ্গে কোনো আপস করেনি।
ম্যাকবুক নিও-এর বডি সম্পূর্ণ অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি (Aluminium chassis), যা এটিকে একটি সলিড বা মজবুত গঠন দিয়েছে। ল্যাপটপটি অত্যন্ত হালকা, এর ওজন মাত্র ২.৭ পাউন্ড বা ১.২২ কেজি। এটি ১৩-ইঞ্চি ম্যাকবুক এয়ারের ওজনের প্রায় সমান, যার ফলে কলেজের ব্যাগে করে এটি বয়ে নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত সহজ।
তরুণ প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে অ্যাপল এর রঙেও এনেছে নতুনত্ব। চিরাচরিত সিলভার (silver) ছাড়াও এটি পাওয়া যাবে ব্লাশ (blush), ইন্ডিগো (indigo) এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি সিট্রাস ইয়েলো (citrus yellow) রঙে। রাউন্ডেড এজ বা গোলাকার প্রান্ত এবং কালার-ম্যাচড কিবোর্ড (colour-matched keys) ল্যাপটপটিকে একটা অত্যন্ত ‘ফান’ এবং আধুনিক লুক দিয়েছে।
ডিসপ্লের ক্ষেত্রে এতে রয়েছে একটি ১৩-ইঞ্চি লিকুইড রেটিনা ডিসপ্লে (13-inch Liquid Retina display)। যদিও এটি ১৩.৬-ইঞ্চির ম্যাকবুক এয়ারের থেকে সামান্য ছোট, কিন্তু এর রেজোলিউশন (2408 x 1506) এবং ব্রাইটনেস (500 nits) দৈনন্দিন কাজের জন্য যথেষ্ট ঝকঝকে। স্ক্রিনে অ্যান্টি-রিফ্লেক্টিভ কোটিং (anti-reflective coating) থাকায় বিভিন্ন লাইটিং কন্ডিশনে বা রোদে বসেও কাজ করতে কোনো অসুবিধা হবে না।
ব্যাটারি ও সাউন্ড: টানা ১৬ ঘণ্টার ব্যাকআপ! (Apple MacBook Neo Review for Students)
পড়ুয়াদের সারাদিন ক্লাস থাকে, আর সব জায়গায় চার্জিং পয়েন্ট পাওয়া সম্ভব হয় না। ম্যাকবুক নিও এখানে বাজিমাত করেছে। এতে রয়েছে একটি ৩৬.৫ ওয়াট-আওয়ার (36.5Wh) ব্যাটারি, যা একবার ফুল চার্জ করলে আপনাকে টানা ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের সুবিধা দেবে। স্মার্টফোন ক্লাসের প্রসেসর ব্যবহার করার ফলেই এই অবিশ্বাস্য ব্যাটারি লাইফ পাওয়া সম্ভব হয়েছে।
সবচেয়ে বড় কথা, এই ল্যাপটপে কোনো কুলিং ফ্যান নেই (no cooling fan)। তাই লাইব্রেরির শান্ত পরিবেশে কাজ করার সময় ল্যাপটপ থেকে কোনো বিরক্তিকর আওয়াজ আসবে না। সাউন্ডের জন্য এতে রয়েছে ডুয়াল সাইড-ফায়ারিং স্পিকার (dual side-firing speakers), যা স্পেশিয়াল অডিও (Spatial Audio) এবং ডলবি অ্যাটমস (Dolby Atmos) সাপোর্ট করে। অনলাইন ক্লাস বা ভিডিও কলের জন্য এতে দেওয়া হয়েছে 1080p ফেসটাইম এইচডি (FaceTime HD) ক্যামেরা।
ম্যাক ইকোসিস্টেম: আইফোনের সঙ্গে নিখুঁত যুগলবন্দি
আপনি যদি ইতিমধ্যে একটি আইফোন ব্যবহার করেন, তবে ম্যাকবুক নিও আপনার জন্য এক জাদুর মতো কাজ করবে। এটি অ্যাপলের লেটেস্ট অপারেটিং সিস্টেম macOS Tahoe-তে চলে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাপলের বিখ্যাত ‘কন্টিনিউটি’ (Continuity) ফিচারগুলো। যেমন ‘হ্যান্ডঅফ’ (Handoff), ‘ইউনিভার্সাল ক্লিপবোর্ড’ (Universal Clipboard) এবং ‘আইফোন মিররিং’ (iPhone Mirroring)। এর মানে হলো, আপনি আপনার আইফোনে কোনো কিছু কপি করে সরাসরি ল্যাপটপে পেস্ট করতে পারবেন, অথবা আইফোনের স্ক্রিন সরাসরি ল্যাপটপে দেখে সেখান থেকেই ফোন নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। ছাত্রছাত্রীদের প্রজেক্ট বা নোটস তৈরির সময় এই ফিচারগুলো অকল্পনীয় সুবিধা দেয়।
বলা বাহুল্য, ৬০ হাজার টাকার নিচে অ্যাপল ল্যাপটপ দিচ্ছে মানে তারা বেশ কিছু জায়গায় খরচ বাঁচিয়েছে। ল্যাপটপটি কেনার আগে এই সীমাবদ্ধতাগুলো বা ‘ডাউনসাইড’গুলো আপনার অবশ্যই জেনে রাখা উচিত:
১. কোনো কীবোর্ড ব্যাকলাইটিং নেই (No Keyboard Backlighting): এটি সম্ভবত পড়ুয়াদের জন্য সবচেয়ে বড় হতাশার জায়গা। ম্যাকবুক নিও-র কীবোর্ডে টাচ আইডি (Touch ID) থাকলেও, এতে কোনো ব্যাকলাইট নেই। অর্থাৎ, রাতে ঘরের আলো নিভিয়ে বা অল্প আলোতে বসে টাইপ করতে আপনার চরম অসুবিধা হবে।
২. পুরনো মডেলের ট্র্যাকপ্যাড (Traditional Trackpad): অ্যাপল তাদের আধুনিক ল্যাপটপগুলোতে হ্যাপটিক (haptic) ট্র্যাকপ্যাড ব্যবহার করে। কিন্তু খরচ কমাতে ম্যাকবুক নিও-তে পুরনো দিনের ‘মুভিং ক্লিক ডিজাইন’ বা মেকানিক্যাল ট্র্যাকপ্যাড দেওয়া হয়েছে। যদিও এটি অ্যাপলের মাল্টি-টাচ জেসচার (Multi-Touch gestures) সাপোর্ট করে, তবুও প্রিমিয়াম ফিলটা এখানে কিছুটা মিসিং।
৩. সীমিত র্যাম ও স্টোরেজ (8GB RAM Limit): সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো, এই ল্যাপটপটি শুধুমাত্র ৮ জিবি র্যামের (limited to 8GB of RAM) অপশনেই পাওয়া যাবে। এর বেশি র্যাম বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। বেস মডেলে স্টোরেজ দেওয়া হয়েছে ২৫৬ জিবি (256GB of storage)। সাধারণ ব্রাউজিং বা লেখালেখির জন্য ৮ জিবি র্যাম যথেষ্ট হলেও, আগামী ২-৩ বছর পর ভারী সফটওয়্যার চালাতে গিয়ে এটি কতটা স্মুথ থাকবে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মনে সন্দেহ রয়েছে।
৪. পোর্টের অভাব (No Thunderbolt): কানেক্টিভিটির জন্য ল্যাপটপের বাঁ দিকে মাত্র দুটি টাইপ-সি (USB-C) পোর্ট দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি USB 3.0 (যা DisplayPort সাপোর্ট করে) এবং অন্যটি অত্যন্ত ধীরগতির USB 2.0। দামি ম্যাকবুকগুলোর মতো এতে কোনো থান্ডারবোল্ট (Thunderbolt) পোর্ট নেই। ফলে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ডেটা ট্রান্সফার করা বা একসঙ্গে একাধিক হাই-রেজোলিউশন মনিটর কানেক্ট করা এতে সম্ভব নয়।
৫. ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য নয়: অ্যাপল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই ল্যাপটপটি দৈনন্দিন সাধারণ কাজের জন্য তৈরি। আপনি এতে হালকা ছবি এডিট (light photo editing) বা সাধারণ ভিডিও এডিট (simple video work) অনায়াসে করতে পারবেন। কিন্তু আপনি যদি ৪কে (4K) ভিডিও এডিটিং, ভারী থ্রিডি রেন্ডারিং (3D rendering) বা হাই-এন্ড গেমিং করতে চান, তবে ম্যাকবুক নিও আপনার জন্য নয়।
সবদিক বিচার করে বলা যায়, অ্যাপল অত্যন্ত সুকৌশলে এই ল্যাপটপটি ডিজাইন করেছে (Apple MacBook Neo Review for Students)। শিক্ষা ক্ষেত্রে বা এডুকেশন সেক্টরে বছরের পর বছর ধরে ক্রোমবুক বা সস্তা উইন্ডোজ ল্যাপটপগুলো রাজত্ব করছিল। কারণ সেই দামে ভালো কোনো বিকল্প ছিল না। কিন্তু ম্যাকবুক নিও এসে সেই সমীকরণ পুরোপুরি পালটে দিল। একজন সাধারণ কলেজ পড়ুয়া, যাঁর মূল কাজ হলো ইন্টারনেটে পড়াশোনা করা, অ্যাসাইনমেন্ট লেখা, ইমেল করা, ইউটিউবে টিউটোরিয়াল দেখা এবং এক্সেল বা স্প্রেডশিটে কাজ করা—তাঁর জন্য এই ল্যাপটপটি একেবারে পারফেক্ট। মাত্র ৫৯,৯০০ টাকায় আপনি পাচ্ছেন অ্যাপলের আভিজাত্য, অ্যালুমিনিয়ামের মজবুত বডি, একটি ঝকঝকে রেটিনা স্ক্রিন এবং এমন একটি প্রসেসর যা এআই (AI) টুলস চালাতে সক্ষম।
হ্যাঁ, এতে কীবোর্ড ব্যাকলাইটিং নেই বা র্যাম মাত্র ৮ জিবি। কিন্তু আপনি যদি ভেবে দেখেন, এই দামে অন্যান্য ব্র্যান্ডের যে ল্যাপটপগুলো পাওয়া যায়, তার বিল্ড কোয়ালিটি বা ব্যাটারি লাইফ ম্যাকবুক নিও-র ধারেকাছেও আসে না। তাই আপনি যদি ভিডিও এডিটিং বা ভারী গ্রাফিক্সের কাজ না করেন এবং আপনার বাজেট যদি ৬০ হাজার টাকার আশেপাশে হয়, তবে চোখ বন্ধ করে এই ‘MacBook Neo’ আপনার পড়াশোনার সেরা সঙ্গী হয়ে উঠতে পারে।
সাম্প্রতিক পোস্ট
- ঘরশত্রু বিভীষণ কি ইরানের সংকটের কারণ হল? আমেরিকা কোন বিশেষ বাহিনীকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে?
- বই পড়লে কি মন শান্ত হয়? জানুন, স্ট্রেস কমাতে কীভাবে এই বিশেষ থেরাপি কাজ করে
- গোলাপি মণীশ মলহোত্রা শাড়িতে নজর কাড়লেন সারা তেন্ডুলকর! অর্জুন-সানিয়ার রাজকীয় বিয়েতে চাঁদের হাট, জানুন অন্দরমহলের অজানা গল্প
- কে এই নতুন রাজ্যপাল আর. এন. রবি? জানুন তাঁকে নিয়ে তামিলনাড়ুর সমস্ত বিতর্ক ও যাবতীয় তথ্য
- কেন পদত্যাগ রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের? কারণ জানলে চমকে উঠবেন!
#newsoffbeat #MacBookNeo #AppleEvent #TechKnow #StudentLaptop #LaptopReview #AppleIndia #A18Pro #GadgetReview #TechNews

