KALI 5000 Weapon System: The Invisible Shield of India ভারতের প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানীরা এমন এক প্রযুক্তি তৈরি করেছেন, যা আগ্নেয়াস্ত্রের সংজ্ঞা বদলে দিয়েছে। বারুদ নয়, বিদ্যুৎ কণা দিয়ে শত্রু নিধন—এটাই কালীর বৈশিষ্ট্য। যুদ্ধবিমান হোক বা শত্রু-স্যাটেলাইট, নিমেষে অকেজো হবে ইলেকট্রনিক্স। জেনে নিন ডিআরডিও-র ল্যাবে তৈরি হওয়া এই ‘অদৃশ্য ঘাতক’-এর আসল কাহিনী।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: কল্পনা করুন একটা দৃশ্য। সীমান্তে হঠাৎ সাইরেন বেজে উঠল। রেডার স্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে, শত্রুপক্ষের এক ঝাঁক অত্যাধুনিক ড্রোন, মিসাইল, এমনকি মহাকাশ থেকে নজরদারি চালানো স্পাই স্যাটেলাইট ধেয়ে আসছে ভারতের গোপন নথির খোঁজে। টেনশন বাড়ছে কন্ট্রোল রুমে। কিন্তু ভারতীয় সেনার মুখে কোনো ভয়ের ছাপ নেই। তাঁরা শান্তভাবে একটি সুইচ টিপলেন। না কোনো কান ফাটানো বিস্ফোরণের শব্দ হলো, না কোনো আগুনের গোলা বের হলো। অথচ, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে মাঝ আকাশে থাকা শত্রু-ড্রোনগুলো পাখির মতো টুপটুপ করে মাটিতে পড়ে গেল! কোনো মিসাইল তার লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে সমুদ্রে গিয়ে পড়ল, আর মহাকাশে থাকা স্যাটেলাইটটি চিরতরে অন্ধ হয়ে গেল। কী ভাবছেন? এটা কোনো সায়েন্স ফিকশন মুভি? একদমই না। এটা আজকের ভারতের বাস্তব প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি। আর এই অসাধ্য সাধন করার ক্ষমতার নামই হলো— KALI (Kilo Ampere Linear Injector)। আজকের প্রতিবেদনে আমরা প্রবেশ করব ভারতের সেই ‘টপ সিক্রেট’ ফাইলে, যার নাম শুনলে পাকিস্তান বা চিনের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে। জেনে নেব, কী এই ‘কালী’? কেন একে বলা হয় ইলেকট্রনিক্সের যম?
আরও পড়ুন : বাজারে এসেছে অপোর নতুন ফোন
কালীর জন্মরহস্য: বিজ্ঞানের ল্যাবে এক নতুন অধ্যায় (The Origin Story)
গল্পটা শুরু হয় ১৯৮৫ সালে। তখন ভারতের পরমাণু গবেষণার প্রাণকেন্দ্র ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টার (BARC)-এর ডিরেক্টর ছিলেন ড. আর. চিদাম্বরম। তিনি চেয়েছিলেন এমন একটি যন্ত্র তৈরি করতে, যা কয়েক ন্যানোসেকেন্ডের মধ্যে বিশাল পরিমাণ শক্তির বিচ্ছুরণ ঘটাতে পারে। প্রাথমিক উদ্দেশ্য কিন্তু মোটেই যুদ্ধ ছিল না। বিজ্ঞানীরা চেয়েছিলেন এমন এক শক্তিশালী ইলেকট্রন বিম তৈরি করতে, যা শিল্পক্ষেত্রে বা মেটালের গুণমান বাড়াতে কাজে লাগবে। ১৯৮৯ সালে শুরু হলো কাজ। প্রজেক্টের নাম দেওয়া হলো— KALI। পুরো নাম— Kilo Ampere Linear Injector। কিন্তু নামের সঙ্গে হিন্দু দেবী মা কালীরও এক অদ্ভুত মিল খুঁজে পান অনেকে। মা কালী যেমন অশুভ শক্তির বিনাশ করেন, এই যন্ত্রটিও তেমনি শত্রুর অশুভ প্রযুক্তিকে নিমেষে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। ডিআরডিও (DRDO) এবং বার্ক (BARC)-এর যৌথ প্রচেষ্টায় এই প্রজেক্ট ধীরে ধীরে এক মহীরুহে পরিণত হয়।
লেজার নয়, এ এক অন্য আগ্নেয়াস্ত্র (Not a Laser, But Something Else)
অনেকেই ভুল করে ভাবেন, কালী হয়তো একধরণের লেজার গান (Laser Gun)। স্টার ওয়ার্স মুভিতে যেমন দেখা যায়, একটা লাল বা সবুজ আলো বের হলো আর সব ধ্বংস হয়ে গেল—বিষয়টা কিন্তু ঠিক তেমন নয়। লেজার কাজ করে আলোর ফোটন কণা দিয়ে। এটি কোনো বস্তুকে ফুটো করে দিতে পারে বা গলিয়ে দিতে পারে। কিন্তু কালীর কাজ করার পদ্ধতি আরও ভয়ানক এবং স্মার্ট। কালী মূলত একটি Particle Accelerator। এটি শক্তিশালী ইলেকট্রন কণা (Relativistic Electron Beams – REB) তৈরি করে। এই ইলেকট্রন বিম যখন ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক রেডিয়েশনে রূপান্তরিত হয়, তখন তা পরিণত হয় High Power Microwaves (HPM)-এ। সহজ করে বুঝুন—আপনার বাড়িতে মাইক্রোওয়েভ ওভেন আছে তো? সেখানে খাবার গরম হয় তরঙ্গের মাধ্যমে। এবার ভাবুন, সেই মাইক্রোওয়েভ ওভেনের শক্তি যদি কয়েক কোটি গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে ছুড়ে দেওয়া হয়—তাহলে কী হবে? সেই মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ যখন শত্রুর মিসাইল, যুদ্ধবিমান বা স্যাটেলাইটে আঘাত করে, তখন সেটিকে বাইরে থেকে অক্ষত দেখায়। কিন্তু ভেতরে থাকা সমস্ত ইলেকট্রনিক চিপ, সার্কিট, সেন্সর এবং জিপিএস সিস্টেম নিমেষে জ্বলে-পুড়ে ছাই হয়ে যায় (Fried circuits)। একে সামরিক ভাষায় বলা হয় “Soft Kill”। অর্থাৎ, বাইরে কোনো বিস্ফোরণ নেই, কিন্তু ভেতর থেকে শত্রু পুরোপুরি মৃত।
কালীর বিবর্তন: ৮০ থেকে ৫০০০ (Evolution of KALI)
রোম যেমন একদিনে তৈরি হয়নি, কালীও একদিনে আজকের বিধ্বংসী রূপ পায়নি। এর যাত্রাপথ বেশ দীর্ঘ এবং রোমাঞ্চকর। KALI-80 ছিল প্রথম ভার্সন, যার শক্তি ছিল ০.৪ গিগাওয়াট এবং মূলত পরীক্ষামূলক কাজের জন্য ব্যবহৃত হতো। এরপর আসে KALI-200, যার শক্তি বেড়ে দাঁড়ায় ১ গিগাওয়াটে। বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারলেন, তাঁরা সঠিক পথেই এগোচ্ছেন। এরপর তৈরি হয় KALI-1000, যা ৩ গিগাওয়াট শক্তি উৎপন্ন করতে পারত। আর বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে KALI-5000। এর শক্তি ৪০ গিগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এই ভার্সনটি এতটাই শক্তিশালী যে, এটি যেকোনো স্যাটেলাইট বা ব্যালিস্টিক মিসাইলের ইলেকট্রনিক সিস্টেমকে সেকেন্ডের ভগ্নাংশে নষ্ট করে দিতে পারে। শোনা যায়, বিজ্ঞানীরা এখন KALI-10000 সিরিজের ওপর কাজ করছেন, যা হবে আরও বিধ্বংসী এবং এর রেঞ্জ হবে আরও বেশি।
সিয়াচেন এবং কালীর মিথ: রহস্য না সত্যি? (The Siachen Mystery)
কালী নিয়ে ইন্টারনেটে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় গল্প প্রচলিত আছে। যদিও ভারত সরকার বা সেনাবাহিনী কখনোই এর সত্যতা স্বীকার করেনি, তবুও গল্পটি রোমহর্ষক। সালটা ২০১২। সিয়াচেন হিমবাহের গায়ারি সেক্টরে পাকিস্তানের একটি সেনা ঘাঁটিতে হঠাৎ ভয়াবহ তুষারধস নামে। এতে ১৩৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হন। সাধারণ দৃষ্টিতে এটি ছিল একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। কিন্তু ষড়যন্ত্র তত্ত্ব (Conspiracy Theory) বা ডিফেন্স অ্যানালিস্টদের একাংশের মতে, ওই সময় ভারত গোপনে KALI 5000 Weapon System-এর পরীক্ষা চালাচ্ছিল। বলা হয়, কালীর শক্তিশালী বিম ওই অঞ্চলের বরফের স্তরে আঘাত করে এবং তার ফলে সৃষ্ট তাপ ও কম্পনে ওই বিশাল তুষারধস নামে। এই দাবির স্বপক্ষে কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ জনসমক্ষে নেই। তবে এই ঘটনা কালীর নামকে আন্তর্জাতিক মহলে এক রহস্যময় আতঙ্কে পরিণত করেছে। পাকিস্তান বা চিনের কাছে আজও কালী মানেই এক অজানা ভয়।
কেন কালী ভারতের জন্য ‘গেম চেঞ্জার’? (Why is it a Game Changer?)
বর্তমান যুগে যুদ্ধ আর শুধু বন্দুক বা কামানের লড়াই নয়। এখন যুদ্ধ হয় প্রযুক্তির। যার ড্রোন যত ভালো, যার মিসাইল গাইডেন্স যত নিখুঁত, সেই জিতবে। এখানেই কালীর গুরুত্ব অপরিসীম। প্রথমত, এটি খরচ বাঁচায়। একটি অ্যান্টি-মিসাইল সিস্টেমের (যেমন ইজরায়েলের আয়রন ডোম) প্রতিটি ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের দাম কোটি কোটি টাকা। কিন্তু কালীর বিম ছুড়তে খরচ হয় সামান্য বিদ্যুতের দাম। দ্বিতীয়ত, এটি রিচার্জেবল। বন্দুকের গুলি শেষ হতে পারে, মিসাইল ফুরিয়ে যেতে পারে। কিন্তু কালীর শক্তি ফুরোবে না। যতক্ষণ বিদ্যুৎ সরবরাহ আছে, ততক্ষণ এটি গুলি (বিম) ছুড়তে পারবে। তৃতীয়ত, এটি কাজ করে আলোর গতিতে। মিসাইল যতই দ্রুত হোক, আলোর গতির চেয়ে বেশি হতে পারে না। কালীর মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ আলোর গতিতে গিয়ে শত্রুকে আঘাত করে। তাই এটি থেকে বাঁচার সুযোগ প্রায় শূন্য।
দুর্গা-২: কালীর উত্তরসূরি? (DURGA-2 Connection)
কালী প্রকল্পের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করেই ভারত এখন কাজ করছে আরও উন্নত প্রযুক্তির ওপর, যার নাম DURGA-2 (Directionally Unrestricted Ray-Gun Array)। মনে করা হচ্ছে, এটি হবে একটি পুরোদস্তুর লেজার ওয়েপন সিস্টেম, যা মহাকাশ যুদ্ধেও ব্যবহার করা যাবে। কালী যদি হয় ‘প্রোটোটাইপ’, তবে দুর্গা হবে ভারতের চূড়ান্ত ‘কবচ’।
শান্তির কাজেও লাগে কালী (Peaceful Uses of KALI)
নিউজ অফবিটে আমরা সবসময় মুদ্রার উল্টো পিঠটাও দেখি। কালী মানেই শুধু ধ্বংস নয়। এই প্রযুক্তির চমৎকার কিছু শান্তিকালীন ব্যবহারও রয়েছে, যা হয়তো আমরা অনেকেই জানি না। মহাকাশ গবেষণায় ইসরোর (ISRO) স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সময় বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন সহ্য করতে পারবে কি না, তা পরীক্ষা করতে কালীর সাহায্য নেওয়া হয়। এছাড়াও টারবাইন ব্লেড বা অটোমোবাইল ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশকে আরও শক্ত ও মজবুত করতে (Metal Hardening) ইলেকট্রন বিম ব্যবহার করা হয়। এমনকি বিকিরণের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করে খাবারকে দীর্ঘদিন তাজা রাখতেও এই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে গবেষণা চলছে।
| বৈশিষ্ট্য (Feature) | কালী – ভারত (KALI) | আয়রন ডোম – ইজরায়েল (Iron Dome) |
| প্রযুক্তি (Technology) | Directed Energy Weapon (DEW) (উচ্চশক্তির মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ) | Kinetic Interceptor (গাইডেড মিসাইল সিস্টেম) |
| আঘাতের ধরণ (Kill Mechanism) | Soft Kill: ইলেকট্রনিক্স এবং সার্কিট পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেয়। কোনো বিস্ফোরণ হয় না। | Hard Kill: সরাসরি মিসাইল দিয়ে আঘাত করে বা কাছে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়। |
| গতিবেগ (Speed) | আলোর গতিতে কাজ করে (১৮৬,০০০ মাইল/সেকেন্ড)। লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার সুযোগ প্রায় নেই। | সুপারসনিক গতি (শব্দের চেয়ে দ্রুত), কিন্তু আলোর গতির চেয়ে অনেক ধীর। |
| খরচ (Cost Per Shot) | অত্যন্ত কম। শুধুমাত্র বিদ্যুৎ খরচের সমান। | অত্যন্ত বেশি। প্রতিটি ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের দাম প্রায় $৫০,০০০ – $১,০০,০০০। |
| লিমমিটেশন (Limitation) | বিশাল আকারের হওয়ায় এটি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরানো কঠিন (বর্তমানে)। | এটি মোবাইল লঞ্চার, তাই সহজেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরানো যায়। |
কালী কেবল একটি যন্ত্র নয়, এটি ভারতের আত্মনির্ভরতার প্রতীক। সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকা জওয়ানের হাতে যেমন রাইফেল থাকে, তেমনি দেশের আকাশসীমা রক্ষায় অদৃশ্য দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই প্রযুক্তি। শত্রু জানবেও না কী হলো, বুঝবেও না কোথা থেকে আঘাত এল—তাদের সমস্ত প্রযুক্তি ধুলোয় মিশে যাবে। ঠিক যেন পুরাণের সেই কাহিনী, যেখানে দেবী কালীর হুংকারে অশুভ শক্তি বিনাশ হয়। ভারতের বিজ্ঞানীদের এই সাধনা সার্থক, কারণ তাঁরা প্রমাণ করেছেন—প্রয়োজনে ভারত শান্ত, কিন্তু দুর্বল নয়। ভবিষ্যতে হয়তো আমরা দেখব, যুদ্ধের ময়দানে বারুদের গন্ধ নেই, আছে শুধু অদৃশ্য রশ্মির লড়াই। আর সেই লড়াইয়ে ভারতের তুরুপের তাস হয়ে থাকবে KALI 5000 Weapon System।
আপনার মতামত আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। এই বিষয়ে আরও জানতে চোখ রাখুন NewsOffBeat-এ।
আপনার মনে হতে পারে (FAQs)
১. কালী কি সত্যিই একটি অস্ত্র হিসেবে সেনাবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে? সরকারিভাবে কালীকে এখনো ‘টেকনোলজি ডেমনস্ট্রেটর’ বা পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রাখা হয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এর উন্নত সংস্করণগুলো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
২. কালী কি পারমাণবিক অস্ত্র? না, এটি কোনো পারমাণবিক বা নিউক্লিয়ার অস্ত্র নয়। এটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ ব্যবহার করে, কোনো তেজস্ক্রিয়তা ছড়ায় না।
৩. সিয়াচেনের ঘটনাটি কি সত্যি? সিয়াচেনে তুষারধসে পাকিস্তানি সেনাদের মৃত্যু একটি বাস্তব ঘটনা। কিন্তু এর পেছনে কালীর হাত ছিল—এটি সম্পূর্ণই একটি অসমর্থিত থিওরি বা গুজব।
৪. কালী কি মানুষ মারতে পারে? কালী মূলত ডিজাইন করা হয়েছে ইলেকট্রনিক্স ধ্বংস করার জন্য (Soft Kill)। তবে এর উচ্চমাত্রার রেডিয়েশন মানুষের শরীরে লাগলে মারাত্মক টিস্যু ড্যামেজ বা মৃত্যু হতে পারে।
Link Out / তথ্যসূত্র: আমাদের এই প্রতিবেদনের তথ্যগুলো Defence Research and Development Organisation (DRDO), Bhabha Atomic Research Centre (BARC)-এর পাবলিক আর্কাইভ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ডিফেন্স জার্নাল থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
(আরও গুরুত্বপূর্ণ খবর ও রাশিফল আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল WhatsApp চ্যানেলে যোগ দিন! সবচেয়ে আগে পান জ্যোতিষ, অফবিট নিউজ, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি, বিনোদন, জীবনধারা ও অফবিট এক্সক্লুসিভ আপডেট —আমাদের WhatsApp Channel-এ যোগ দিন)
সাম্প্রতিক পোস্ট
- Gen Z-এর প্রেমের নতুন শব্দভান্ডার জানেন? ভালোবাসার নতুন ব্যাকরণ শিখুন | Gen Z Love Trends 2026
- ব্যস্ত সকালে এই ৫টি Tiffin Recipe রাখুন রোজের তালিকায় | Easy Tiffin Recipes
- ঠাকুর, দেবতা, ভগবান ও ঈশ্বর কি একই? গুলিয়ে ফেলার আগে জেনে নিন আসল তফাৎ | God vs Deity Meaning in Bengali
- জানুন, ব্যক্তি সুভাষের অনন্য প্রেমকাহিনী: সুভাষ ও এমিলি
- গান্ধী বনাম নেতাজি—মূল পার্থক্যটা কোথায়? | Gandhi vs Netaji

