Kolkata to Patna Bus: উদ্বোধন হলো ‘রায়পুর ক্রুজার’-এর প্রিমিয়াম বাস পরিষেবা। ভারতে প্রথম ‘টিগ্রা’ বাস যাতে থাকছে বায়ো-টয়লেট ও এলইডি টিভি। যারা এবার দোল বা হোলির ছুটিতে ঘুরতে যাওয়ার ট্রেনের কনফার্ম টিকিট পাননি, তাঁদের জন্য এটি হতে পারে সেরা বিকল্প। জেনে নিন বাসের টাইমিং, রুট এবং পাটনায় ঘোরার বিস্তারিত হদিস।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: বসন্ত এসে গেছে। বাতাসে আবিরের গন্ধ আর ক্যালেন্ডারের পাতায় দোল ও হোলির ছুটি উঁকি মারছে। কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যের ভ্রমণপিপাসু মানুষ এবার তৈরি ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে পড়ার জন্য। কিন্তু, ভারতের মধ্যবিত্ত বাঙালির ঘুরতে যাওয়ার পথে সবথেকে বড় বাধাটা কী? উত্তরটা সবারই জানা—কনফার্ম ট্রেনের টিকিট। দোল বা হোলির মতো উৎসবের মুখে মাসের পর মাস আগে বুক করেও টিকিট জোটে না অনেকের। আর শেষ মুহূর্তে IRCTC-র ওয়েবসাইট বা কাউন্টারে গিয়ে ‘ওয়েটলিং’ (Waitlist) বা ‘রিগ্রেট’ (Regret) লেখা দেখে হতাশা বাড়ে। আপনিও কি এবারও উৎসবের ছুটিতে কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা করেও ট্রেনের টিকিটের অভাবে মন খারাপ করে বসে আছেন? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে এক দারুণ সুখবর। সেই হতাশা ঝেড়ে ফেলে এবার ব্যাগ গুছিয়ে নিন। কারণ, আপনার সেই সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছে ‘রায়পুর ক্রুজার’ (Raipur Cruiser)।
ট্রেন নয়, এবার সরাসরি বিলাসবহুল বাসে কলকাতা থেকে ঘুরে আসুন বিহারের রাজধানী পাটনা এবং পবিত্র ভূমি পাটনা সাহিব। সম্প্রতি এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রায়পুর ক্রুজার তাদের এই প্রিমিয়াম বাস পরিষেবার গ্র্যান্ড লঞ্চ (Grand Launch) সম্পন্ন করেছে। এটি এমন এক পরিষেবা, যা উৎসবের ভিড়ে ট্রেনের একদারুন বিকল্পই নয়, বরং অনেক দিক থেকে ট্রেনের থেকেও বেশি আরামদায়ক ও সুবিধাজনক।
দোল-হোলির চুটি: কেন এবার পাটনা ও পাটনা সাহিব?
আমাদের রাজ্যের পর্যটকদের কাছে বিহার এখনও ততটা পরিচিত নয়, কিন্তু যারা ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং আধ্যাত্মিকতা পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য পাটনা ও পাটনা সাহিব এক সম্পদ। এই বাসে চড়ে আপনি সরাসরি পৌঁছে যেতে পারেন এক ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক জগতে। আমাদের টার্গেট ট্রাভেলাররা এবার হোলির ছুততে এই বাসে চড়ে কী কী দেখতে পারেন, তার বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো:
১. আধ্যাত্মিক যাত্রা: তাকহাত শ্রী পাটনা সাহিব (Takhat Sri Patna Sahib)
এই বাস পরিষেবার অন্যতম প্রধান গন্তব্যই হলো পাটনা সাহিব। এটি শিখ ধর্মের পাঁচটি তখত বা প্রধান ধর্মীয় আসনের অন্যতম। শিখদের দশম গুরু, গুরু গোবিন্দ সিং জি-র জন্মস্থান এটি। গঙ্গার তীরে অবস্থিত সাদা মার্বেলের তৈরি এই বিশাল ও ঐতিহাসিক গুরুদ্বারটি দর্শন করা এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। আপনি যদি ধর্ম বা ইতিহাস ভালোবাসেন, তবে আপনার এই দোল বা হোলির ছুটি এই পবিত্র ভূমিতে কাটানো সার্থক হবে। কলকাতা ও গঙ্গার সাথে পবিত্রতার এক সংযোগ যেমন আছে, এই পরিষেবা সরাসরি কলকাতার কালীঘাট গুরুদ্বারকে পাটনা সাহিবের সাথে যুক্ত করে আধ্যাত্মিক ভ্রমণের এক নতুন দরজা খুলে দিয়েছে।
২. ঐতিহাসিক ভ্রমণ: পাটনা শহর ও তার আশেপাশের এলাকা
পাটনা সাহিব দর্শন ছাড়াও পাটনা শহরে অনেক কিছু দেখার আছে। ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য রয়েছে বিশ্ববিখ্যাত পাটনা মিউজিয়াম (Patna Museum) এবং অত্যাধুনিক বিহার মিউজিয়াম (Bihar Museum)। এই দুই জাদুঘরে গেলে আপনি বিহারের গৌরবোজ্জ্বল অতীত এবং ভারতের প্রাচীন ইতিহাসের নানা নিদর্শন দেখতে পাবেন। এছাড়া ঘুরে দেখতে পারেন গোলঘর (Golghar)। ১৮ শতকে ব্রিটিশদের তৈরি এই বিশাল শস্যাগারটি এখন এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। গোলঘরের মাথায় উঠলে সমগ্র পাটনা শহর এবং গঙ্গা নদীর অপূর্ব রূপ দেখা যায়। এছাড়া রয়েছে মহাবীর মন্দির, রাজেন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহালয় এবং বিশ্বের প্রাচীনতম ভাসমান সেতুগুলির অন্যতম—মহাত্মা গান্ধী সেতু, যা গঙ্গার ওপর দিয়ে পাটনা ও হাজিপুরকে যুক্ত করেছে।
৩. আশেপাশের রোমাঞ্চকর এক্সকারশন (Excursions): রাজগির, নালন্দা ও পাবাপুরী
পাটনা থেকে কিছুটা দূরেই রয়েছে নালন্দা, যা প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিক্ষা কেন্দ্র ছিল। আজ সেখানে প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসাবশেষ দেখতে পাওয়া যায়। নালন্দার খুব কাছেই রয়েছে রাজগির, যেখানে রোপওয়ে চড়ে আপনি শান্তির স্তূপ (Peace Pagoda) দেখতে পারেন। এছাড়া রয়েছে পাবাপুরী, যেখানে জৈন ধর্মের প্রচারক ভগবান মহাবীরের মোক্ষ প্রাপ্তি হয়েছিল। পাটনা থেকে গাড়িতে অনায়াসেই এই সব জায়গায় একদিনে ঘুরে আসা যায়। এই বাসে চড়ে পাটনা পৌঁছে, আপনি উৎসবের ছুততে এক পরিপূর্ণ ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক ট্যুর প্ল্যান করতে পারেন। ট্রেনের ঝুটঝামেলা ছাড়াই।
‘রায়পুর ক্রুজার’ (Raipur Cruiser): বাসের টাইমিং, স্টপ ও সুযোগ-সুবিধা
কিন্তু দীর্ঘ পথ বাসে যাওয়ার কথা ভেবে অনেকেই হয়তো অস্বস্তিবোধ করছেন? রায়পুর ক্রুজার তাদের প্রিমিয়াম পরিষেবার মাধ্যমে সেই অস্বস্তি দূর করার গ্যারান্টি দিয়েছে। তাদের দাবি, এটি বাসে যাত্রা নয়, যেন ট্রেনের ফার্স্ট ক্লাস বা এসি ২ টায়ারে যাত্রার আরামের স্বাদ এনে দেবে। আসুন, জেনে নিই কেন এই বাস উৎসবের ভিড়ে ট্রেনের থেকেও ভালো বিকল্প:
১. ভারতের প্রথম টিগ্রা বাস: বায়ো-টয়লেট ও এলইডি টিভি (Highlighed feature) এই বাসের সবথেকে বড় আকর্ষণ এবং সবথেকে বড় সুবিধা। রায়পুর ক্রুজার নিয়ে এসেছে ভারতের প্রথম ‘টিগ্রা’ (TIGRA) বাস, যাতে সরাসরি বাসের ভেতরেই থাকছে আধুনিক এবং স্বাস্থ্যসম্মত বায়ো-টয়লেট (BIO-TOILET)। long-route-এ বাসে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবথেকে বড় সমস্যা হয় শৌচাগার ব্যবহারের জন্য অস্বস্তিকর ও নোংরা জায়গায় দাঁড়ানো। বিশেষ করে নারী পর্যটক, বয়স্ক এবং শিশুদের জন্য এটি এক অসহ্য যন্ত্রণা। কিন্তু রায়পুর ক্রুজারের বাসে এই সমস্যা এক নিমেষে শেষ। আপনি আপনার সিট ছেড়ে মাত্র কয়েক পা হেঁটেই হাইজিনের নিশ্চিন্তে বাসের ভেতরের টয়লেট ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া, একঘেয়েমি দূর করতে প্রতিটি সিটে বা কেবিনে থাকছে ব্যক্তিগত এলইডি টিভি (Individual LED TV)। সবাই মিলে একটা টিভিতে সিনেমা দেখার দিন শেষ। আপনি আপনার পছন্দের অনুষ্ঠান দেখতে দেখতেই পৌঁছে যাবেন পাটনা।
২. বিজনেজ ক্লাস ও স্লিপার সিট: এটি একটি বিজনেজ ক্লাস প্রিমিয়াম বাস পরিষেবা। বাসে থাকছে আরামদায়ক স্লিপার সিট (Sleeper Seat)। অর্থাৎ, পুরো শুয়ে-বসে আপনি ঘুমোতে ঘুমোতে যাতায়াত করতে পারেন। রাতের বাসে যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি খুব জরুরি। আপনার সিটের সাথে থাকছে কম্বল এবং মাথার বালিশের সুবিধা। দীর্ঘ যাত্রার পর আপনি যখন পাটনা পৌঁছাবেন, আপনি ফ্রেশ থাকবেন।
৩. সম্পূর্ণ এসি এবং প্রযুক্তিনির্ভর যাত্রা: বাসটি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (AC)। এছাড়া থাকছে দ্রুতগতির ফ্রি ওয়াইফাই (WiFi) পরিষেবা এবং প্রতিটি স্লিপারে মোবাইল চার্জিং (Mobile Charging) পয়েন্ট। যাত্রা পথে আপনার স্মার্টফোন, ল্যাপটপ বা ট্যাবলেটের ব্যাটারি নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।
৪. নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা: যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য বাসের ভেতরে থাকছে সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরা এবং পুরো যাত্রা পথ ট্র্যাক করার জন্য থাকছে জিপিএস ট্র্যাকিং (GPS Tracking) সুবিধা। বাসটি পরিচালনা করবেন অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত চালক এবং কর্মী (Trained Captain), যারা আপনার যাত্রা পথকে নিরাপদ ও আনন্দদায়ক করতে সাহায্য করবেন। এছাড়া যাত্রার শুরুতে প্রতিটি যাত্রীকে একটি করে জলের বোতল (Water Bottle) দেওয়া হবে।
৫. বাসের টাইমিং ও স্টপ: বিজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, এই পরিষেবার লঞ্চ তারিখ ছিল ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৬টায়। স্বাভাবিকভাবেই, উৎসবের মুখে বুকিং চালু আছে। বাসটি সন্ধ্যা ৬ টায় কলকাতার কালীঘাট গুরুদ্বার থেকে ছাড়বে বলে আশা করা যায়, যা কলকাতার যেকোনো প্রান্ত থেকে অ্যাক্সেস করা খুব সহজ।
যদিও বিজ্ঞাপনে সরাসরি সব স্টপের নাম দেওয়া নেই, তবে নিচের তালিকায় কলকাতা, দুর্গাপুর, আসানসোল, ধানবাদ, বোকারো, রাঁচি, পাটনা সাহিব, শিলিগুড়ি, মন্দারমনি, দীঘার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরের নাম লেখা আছে। এর থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, কলকাতা থেকে পাটনা যাওয়ার পথে দুর্গাপুর, আসানসোল, ধানবাদের মতো প্রধান স্টেশনগুলিতে এই বাস দাঁড়াবে। সঠিক টাইমিংয়ের জন্য বুকিং নম্বরে যোগাযোগ করা ভালো।
ট্রেনের টিকিট নেই? তাতে কী! বিজনেজ ক্লাস অন হুইলস (Business Class on Wheels) আছে তো!
দোল বা হোলির ছুটিতে ঘুরতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত অনেক সময় শেষ মুহূর্তে নেওয়া হয়। কিন্তু ট্রেনের টিকিটের দৌড় অনেক আগে থেকেই শেষ হয়ে যায়। আপনি যদি এখন আইআরসিটিসি-তে কলকাতা থেকে পাটনার টিকিট খোঁজার চেষ্টা করেন, তবে নিশ্চিতভাবেই আপনি লম্বা ওয়েটলিং দেখতে পাবেন, যার কনফার্ম হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।
এরকম পরিস্থিতিতে রায়পুর ক্রুজারের এই সরাসরি বাস পরিষেবা আপনার জন্য ঈশ্বরের বরদান হতে পারে। টিকিটের চিন্তা ভুলে, আপনি শেষ মুহূর্তে আপনার হোলির ট্যুর প্ল্যান চূড়ান্ত করতে পারেন। ট্রেনের মতো টিকিট কাটার জন্য তিন মাস আগে দৌড়ঝাঁপ করার প্রয়োজন নেই। উৎসবের মুখেও এই বিলাসবহুল বাসে সরাসরি পাটনা পৌঁছানো এখন বাস্তব। এটি এমন এক বিকল্প, যা আরাম, সুবিধা এবং নিরাপত্তার দিক থেকে ট্রেনের এক দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বী।
কীভাবে করবেন বুকিং? সম্পূর্ণ নির্দেশিকা
আপনি যদি এই দারুণ সুবিধাজনক বিলাসবহুল বাস পরিষেবা উপভোগ করতে চান, তবে দোল-হোলির ভিড় বাড়ার আগেই আপনার টিকিট বুক করে নিন। রায়পুর ক্রুজার একাধিক বুকিং মাধ্যম অফার করছে:
১.ওয়েবসাইট বুকিং: সরাসরি তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়েও সিট চয়েস করে বুকিং করা যাবে:
www.raipurcruiser.com
২. ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ (Phone/WhatsApp) বুকিং: আপনি সরাসরি নিচের নম্বরগুলিতে কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করে আপনার সিট বুক করতে পারেন: 90735 35111, 90735 45111, 90730 35111, 90730 92111
৩. অ্যাপ বুকিং: তাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করেও বুকিং করা যাবে। বিজ্ঞাপনে দেওয়া কিউআর কোড স্ক্যান করে বা গুগল প্লে স্টোর/অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে ‘Raipur Cruiser’ লিখে সার্চ করে আপনি অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারেন।
বিজ্ঞাপনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই বাসে করপোরেট এবং ফ্যামিলি বুকিংয়ের (Corporate & Family Booking) সুবিধাও আছে। অর্থাৎ, আপনারা যদি দল বেঁধে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যেতে চান, তবে পুরো বাস বা নির্দিষ্ট অংশ বুক করার সুবিধা থাকছে।
ট্রেনের টিকিট নিয়ে হতাশা ঝেড়ে ফেলে উৎসবের ছুটিতে ঘুরতে যাওয়ার আনন্দ উপভোগ করুন (Kolkata to Patna Bus)। রায়পুর ক্রুজারের বিলাসবহুল বাসে চড়ে সরাসরি কলকাতা থেকে পৌঁছে যান ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক শহর পাটনা ও পাটনা সাহিবে। বাসের ভেতরের বায়ো-টয়লেট, এলইডি টিভি এবং আরামদায়ক স্লিপার সিট আপনার যাত্রা পথকে করবে ট্রেনের মতোই মনে রাখার মতো আরামদায়ক। কলকাতা কালীঘাট গুরুদ্বার থেকে পাটনা সাহিবের পবিত্র মাটি—এই দূরত্ব এবার সরাসরি বাই রোডে, মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে। আজই আপনার টিকিট বুক করুন এবং এই দোল বা হোলির ছুটি আনন্দে ভরিয়ে তুলুন!
#kolkatabus #RaipurCruiser #LuxuryBusTravel #HoliTravel #FestivalTravel #SleeperBus #TravelUpdate
সাম্প্রতিক পোস্ট
- স্মার্ট সিটির কর্পোরেট চাকচিক্যের আড়ালে ‘বিষ-জল’! আইটি হাবের ঠিকানায় সাপুরজির ই-ব্লকে হাহাকার
- ভাগ্য বদলাতে চান? গ্রহের প্রতিকার হিসেবে এই রঙের পোশাকই হতে পারে চাবিকাঠি!
- টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের জয় অব্যাহত │ লণ্ডভণ্ড চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান
- মঞ্চে উঠলেই ভয়? │ পাবলিক স্পিকিং ভীতি কাটানোর ৫টি কৌশল জানুন এখনই
- গায়ে হঠাৎ র্যাশ? মিথ ভেঙে জানুন, চিকেন পক্সের এই লক্ষণগুলো

