Nostalgia during festivals: আবিরের পরিচিত গন্ধ বা পাড়ার মোড়ে বেজে ওঠা পুরনো কোনো গান হঠাৎ করেই আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় ছোটবেলার দোলের দিনগুলোতে। উৎসবের এই আনন্দময় মুহূর্তে কেন মন কেমন করে? কেনই বা হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের কথা বেশি মনে পড়ে? বিশিষ্ট মনোবিদ সুমনা গুপ্ত এবং ব্রততী রায়ের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ ও উৎসবের একাকীত্ব কাটানোর কার্যকরী উপায় জানুন।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: বসন্তের এক ঝলমলে সকাল। চারপাশে উড়ছে লাল, নীল, সবুজ আবির। পাড়ার মোড় থেকে ভেসে আসছে, “ওরে গৃহবাসী, খোল দ্বার খোল…”। আপনি হয়তো বারান্দায় দাঁড়িয়ে কফির কাপে চুমুক দিচ্ছেন, আর চারপাশের এই রঙের উৎসব দেখছেন। হঠাৎ করেই এক ঝলকা হাওয়া আপনার নাকে নিয়ে এল সেই পরিচিত ভেজা মাটি আর আবিরের গন্ধ। আর ঠিক সেই মুহূর্তেই আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠল আজ থেকে কুড়ি বছর আগের একটা দৃশ্য। স্কুলবেলার সেই বন্ধুরা, জলভরা বেলুন ছোড়ার উত্তেজনা, আর মায়ের বকুনি খাওয়ার ভয়!
সবাই যখন বর্তমানের আনন্দে মেতে আছে, আপনার মন তখন পাড়ি দিয়েছে অতীতের এক রঙিন গলিতে। উৎসবের দিনে এই যে হঠাৎ করে মন খারাপ হওয়া বা পুরনো দিনের কথা মনে পড়া—এটি কি শুধুই আমাদের আবেগের বহিঃপ্রকাশ, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো গভীর বিজ্ঞান? Why we miss old days on Holi?
আজকালকার কর্মব্যস্ত জীবনে আমরা অনেকেই পরিবার বা পুরনো বন্ধুদের থেকে দূরে থাকি। উৎসবের দিনে এই দূরত্ব যেন আরও বেশি করে গায়ে লাগে। কিন্তু এই স্মৃতিচারণ কি আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর? নাকি এর মধ্যে লুকিয়ে আছে ভালো থাকার কোনো গোপন চাবিকাঠি? আজ NewsOffBeat-এর এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা কোনো সাধারণ মন খারাপের গল্প বলব না। বরং, বিজ্ঞানের আলোকে এবং স্বনামধন্য মনোবিদদের নিখুঁত বিশ্লেষণে বোঝার চেষ্টা করব Psychology of celebration in Bengali culture এবং উৎসবের দিনে আমাদের মস্তিষ্কের এই অদ্ভুত টাইম ট্রাভেলের পেছনের আসল কারণ।
নস্টালজিয়া এবং আমাদের মস্তিষ্কের টাইম মেশিন
উৎসবের দিনে পুরনো স্মৃতি মনে পড়াকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘নস্টালজিয়া’ (Nostalgia)। একসময় নস্টালজিয়াকে এক ধরনের মানসিক ব্যাধি বলে মনে করা হতো। কিন্তু আধুনিক মনস্তত্ত্ব বলছে সম্পূর্ণ অন্য কথা। নস্টালজিয়া আসলে আমাদের মস্তিষ্কের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ইতিবাচক ‘কোপিং মেকানিজম’ (Coping Mechanism)।
এই বিষয়ে NewsOffBeat-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে বিশিষ্ট মনোবিদ সুমনা গুপ্ত অত্যন্ত চমৎকার একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, “আমাদের মস্তিষ্কে স্মৃতি মূলত জমা থাকে ‘এপিসোডিক মেমোরি’ (Episodic Memory) হিসেবে। অর্থাৎ, জীবনের এক একটা ঘটনা এক একটা ছোট গল্পের মতো সেভ করা থাকে। উৎসবের দিনে যখন আমরা কোনো পরিচিত গান শুনি বা আবিরের গন্ধ পাই, তখন আমাদের মস্তিষ্কের ‘অলফ্যাক্টরি বাল্ব’ (Olfactory Bulb) সরাসরি উদ্দীপ্ত হয়। মানবদেহের অন্যান্য ইন্দ্রিয়ের তুলনায় ঘ্রাণশক্তি বা গন্ধের অনুভূতি সরাসরি আমাদের মস্তিষ্কের আবেগ এবং স্মৃতির কেন্দ্রস্থল—’অ্যামিগডালা’ (Amygdala) এবং ‘হিপোক্যাম্পাস’ (Hippocampus)-এর সঙ্গে যুক্ত থাকে।”
মনোবিদ সুমনা গুপ্ত আরও ব্যাখ্যা করেন, “এই প্রক্রিয়াটিকে মনস্তত্ত্বের ভাষায় বলা হয় ‘প্রুস্টিয়ান এফেক্ট’ (Proustian Effect)। গন্ধ বা সুর হলো এক একটা ট্রিগার। দোলের দিন আবিরের গন্ধ পেলেই মস্তিষ্ক সেকেন্ডের ভগ্নাংশে আপনাকে আপনার সবচেয়ে সুরক্ষিত এবং আনন্দময় স্মৃতির দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। এর ফলে আমাদের শরীরে ডোপামিন (Dopamine) এবং অক্সিটোসিন (Oxytocin)-এর মতো ‘ফিল গুড হরমোন’ ক্ষরিত হয়, যা আমাদের এক অদ্ভুত মানসিক শান্তি বা ‘দোলের স্মৃতি ও মানসিক শান্তি’ প্রদান করে।”
রোজি রেট্রোস্পেকশন: অতীত কেন এত সুন্দর লাগে?
কখনো ভেবে দেখেছেন, ছোটবেলার দোলের দিনগুলো আমাদের এত নিখুঁত আর সুন্দর কেন মনে হয়? তখন কি আমাদের কোনো দুঃখ বা মন খারাপ ছিল না? এখানেই আসে মনস্তত্ত্বের আরেকটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় বিষয়, যাকে বলা হয় ‘রোজি রেট্রোস্পেকশন’ (Rosy Retrospection)।
আমাদের মস্তিষ্ক হলো একজন অত্যন্ত দক্ষ এডিটর বা সম্পাদক। আমরা যখন অতীতের কোনো স্মৃতিচারণ করি, তখন মস্তিষ্ক অবচেতনভাবেই সেই স্মৃতির নেতিবাচক বা কষ্টকর দিকগুলোকে মুছে ফেলে এবং শুধুমাত্র ভালো, আনন্দময় মুহূর্তগুলোকে হাইলাইট করে। হয়তো সেই ছোটবেলার দোলে আপনার প্রিয় জামাটা রং লেগে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আপনি খুব কেঁদেছিলেন, কিন্তু আজ কুড়ি বছর পর সেই দিনের কথা ভাবলে আপনার শুধু বন্ধুদের সঙ্গে হাসিখুশির মুহূর্তগুলোই মনে পড়ে।
এই ‘রোজি রেট্রোস্পেকশন’ আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একটি বর্ম বা শিল্ড হিসেবে কাজ করে। বর্তমানের কোনো চাপ বা স্ট্রেস থেকে মুক্তি দিতে মস্তিষ্ক আমাদের এই সুন্দর, ফিল্টার করা অতীত উপহার দেয়, যাতে আমরা বর্তমানের লড়াই করার জন্য নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করতে পারি।
উৎসবের একাকীত্ব বা ‘হলিডে প্যারাডক্স’
উৎসবের দিনগুলোতে এই নস্টালজিয়া যেমন আনন্দ দেয়, তেমনই অনেকের মনে এক গভীর শূন্যতা বা একাকীত্বেরও জন্ম দেয়। সমাজমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই দেখা যায় সবাই বন্ধুদের সঙ্গে, পরিবারের সঙ্গে রং খেলছে, হাসছে, সেলফি দিচ্ছে। আর আপনি হয়তো কর্মসূত্রে ভিন শহরে একা বসে আছেন। এই বৈপরীত্য মানুষের মনে এক তীব্র মানসিক চাপ সৃষ্টি করে।
মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘হলিডে প্যারাডক্স’ (Holiday Paradox) বা ‘অ্যানিভার্সারি রিঅ্যাকশন’ (Anniversary Reaction)। সমাজ আমাদের মগজে গেঁথে দিয়েছে যে উৎসব মানেই সবাইকে একসঙ্গে দল বেঁধে আনন্দ করতে হবে। আর যখনই বাস্তব পরিস্থিতি এই সামাজিক প্রত্যাশার সঙ্গে মেলে না, তখনই আমাদের ব্রেন সিগন্যাল দেয় যে “আমার জীবনে কিছু একটা কমতি আছে।” এই ‘ফিয়ার অফ মিসিং আউট’ (FOMO) থেকেই জন্ম নেয় উৎসবের একাকীত্ব।
পুরনো বন্ধুর সাথে মান-অভিমান মেটানোর দিন
তবে এই নস্টালজিয়া বা ফেলে আসা দোলের স্মৃতির একটা অত্যন্ত ইতিবাচক দিক রয়েছে। নস্টালজিয়া মানুষকে আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে বের করে আনে এবং ‘প্রোসোশ্যাল বিহেভিয়ার’ (Prosocial Behavior) বা সামাজিক হতে সাহায্য করে।
আপনার কি এমন কোনো বন্ধু আছে, যার সঙ্গে ছোটবেলায় জমিয়ে রং খেলতেন, কিন্তু আজ কোনো ছোটখাটো ইগো বা অভিমানের কারণে বছরের পর বছর কথা বন্ধ? উৎসবের দিনগুলোতে আমাদের ‘ইগো ডিফেন্স মেকানিজম’ (Ego Defense Mechanism) অনেকটা শিথিল হয়ে যায়। অতীতের সুন্দর স্মৃতিগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মানুষের জীবনের সম্পর্কগুলো এই সাময়িক অভিমানের চেয়ে অনেক বেশি দামি।
তাই দোল হলো পুরনো বন্ধুর সাথে মান-অভিমান মেটানোর দিন। এই দিনটিতে নস্টালজিয়াকে কাজে লাগিয়ে আপনি নিজেই প্রথম মেসেজটা করুন না! একটা ছোট্ট টেক্সট—”শুভ দোল! তোর মনে আছে সেই ২০০৬ সালের দোলের কথা?” দেখবেন, এই একটা লাইনই আপনাদের মধ্যকার সমস্ত বরফ গলিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। নস্টালজিয়া এখানে শুধু স্মৃতিরোমন্থন নয়, সম্পর্ক জোড়া লাগানোর এক শক্তিশালী অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।
কীভাবে কাটাবেন উৎসবের একাকীত্ব? মনোবিদ ব্রততী রায়ের গাইডলাইন
আপনি যদি এই দোলে একা থাকেন বা ভিন শহরে থাকেন, তবে মন খারাপ করবেন না। এই একাকীত্ব বা উৎসবের মন খারাপ কাটানোর জন্য সম্পূর্ণ বিজ্ঞানভিত্তিক এবং কার্যকরী কিছু উপায় বাতলে দিয়েছেন দেশের অভিজ্ঞ মনোবিদ ব্রততী রায়। NewsOffBeat-এর পাঠকদের জন্য তাঁর বিশেষ পরামর্শগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
১. কগনিটিভ রিফ্রেমিং (Cognitive Reframing): মনোবিদ ব্রততী রায় জানাচ্ছেন, “আমাদের কষ্টটা একাকীত্বের জন্য ততটা নয়, যতটা আমাদের চিন্তাধারার জন্য। আমরা ভাবি ‘আমি একা, আমার কেউ নেই’। এই চিন্তাধারাটিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে পরিবর্তন করাকে বলা হয় কগনিটিভ রিফ্রেমিং। নেতিবাচক চিন্তার বদলে ভাবুন, ‘আমি আজ নিজের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছি। এই উৎসবের দিনটা আমার নিজের জন্য এক বিশ্রামের দিন।’ নিজের একাকীত্বকে ‘লোনলিনেস’ (Loneliness) হিসেবে না দেখে ‘সলিটিউড’ (Solitude) বা নিজস্ব একান্ত সময় হিসেবে দেখতে শিখুন।”
২. বিহেভিয়োরাল অ্যাক্টিভেশন (Behavioral Activation): “মন খারাপ করে ঘরে বসে থাকলে ব্রেন আরও বেশি নেতিবাচক সিগন্যাল পাঠায়। একে কাটানোর উপায় হলো ছোট ছোট কাজে নিজেকে যুক্ত করা। একে বিহেভিয়োরাল অ্যাক্টিভেশন বলে,” জানান ব্রততী রায়। আপনি একা হলেও সকালে উঠে স্নান করে একটা ভালো পোশাক পরুন। নিজের জন্য এক প্যাকেট ভালো আবির কিনে আনুন। হয়তো পাড়ার কোনো বাচ্চাকে বা আবাসনের নিরাপত্তারক্ষীকে একটু আবির ছুঁইয়ে দিন। মস্তিষ্ক যখন দেখবে আপনি সক্রিয়ভাবে কিছু ইতিবাচক কাজ করছেন, তখন সে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আপনার মন খারাপ কমিয়ে দেবে।
৩. নিউরোলজিক্যাল রিকানেকশন (Neurological Reconnection): যাঁদের খুব মিস করছেন, তাঁদের শুধু মনে মনে ভেবে কষ্ট পাবেন না। প্রযুক্তিকে কাজে লাগান। ভিডিও কল করুন। পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে একটি গ্রুপ কল করে পুরনো দিনের গল্প করুন। যখন আমরা প্রিয়জনদের সঙ্গে আমাদের ভালো লাগাগুলো শেয়ার করি, তখন আমাদের মস্তিষ্কের ‘রিওয়ার্ড সার্কিট’ (Reward Circuit) উদ্দীপ্ত হয়, যা আমাদের একাকীত্ব নিমেষেই দূর করে দেয়।
৪. নতুন স্মৃতি তৈরি করুন (Neuroplasticity): মনোবিদ ব্রততী রায় একটি অত্যন্ত সুন্দর কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “আজকের দিনটাও কিন্তু আগামীকালের স্মৃতি। আপনি যদি আজকের দিনটা মন খারাপ করে কাটিয়ে দেন, তবে ভবিষ্যতে আজকের দিনের কোনো সুন্দর স্মৃতি আপনার কাছে থাকবে না।” আমাদের মস্তিষ্কের ‘নিউরোপ্লাস্টিসিটি’ (Neuroplasticity) ধর্ম রয়েছে, অর্থাৎ সে যেকোনো বয়সে নতুন জিনিস শিখতে এবং নতুন স্মৃতি তৈরি করতে পারে। তাই পুরনো দোলের স্মৃতির পাশাপাশি, নিজের জন্য নতুন কিছু ট্র্যাডিশন তৈরি করুন। হয়তো দোলের দিন দুপুরে নিজের পছন্দের কোনো রান্না করলেন, বা কোনো ভালো বই পড়লেন। নিজের আনন্দ নিজের মতো করে তৈরি করতে শিখুন।
স্মৃতিরা থাক পাহারায়
নস্টালজিয়া বা ফেলে আসা দিনের স্মৃতি কোনো ভারী পাথর নয় যে তা আপনাকে বর্তমান থেকে টেনে নিচে নামাবে। নস্টালজিয়া হলো শীতের সকালের এক ওম জড়ানো চাদরের মতো। যখন বর্তমানের কোনো পরিস্থিতি আমাদের ক্লান্ত করে দেয়, তখন এই পুরনো স্মৃতিগুলোই আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমরাও একদিন কত আনন্দে ছিলাম, এবং আমরা আবারও সেই আনন্দ ফিরে পেতে পারি।
তাই উৎসবের দিনে স্মৃতিচারণ ও দোল যদি হাত ধরাধরি করে আপনার মনের দরজায় কড়া নাড়ে, তবে তাদের সযত্নে ভেতরে ডাকুন। তাদের সঙ্গে বসে এক কাপ চা খান। পুরনো বন্ধুদের কথা মনে করে একটু হাসুন, হয়তো বা একটু চোখের জলও ফেলুন। এই অনুভূতিগুলো অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং মানবিক। উৎসব ও মানসিক স্বাস্থ্য একে অপরের পরিপূরক।
রংয়ের উৎসব দোল আমাদের শেখায় জীবনের প্রতিটি রংকে আপন করে নিতে। ঠিক তেমনই স্মৃতির ক্যানভাসে আঁকা পুরনো রংগুলোকেও আপন করে নিন। তবে হ্যাঁ, অতীতের দিকে তাকিয়ে থাকতে গিয়ে যেন বর্তমানের রঙিন মুহূর্তগুলো আপনার হাতছাড়া না হয়ে যায়! অতীতকে ভালোবাসুন, কিন্তু বাঁচুন এই সুন্দর বর্তমানে। চারপাশের মানুষদের রাঙিয়ে দিন ভালোবাসার আবিরে।
সাম্প্রতিক পোস্ট
- খামেনেইয়ের মৃত্যু ও ৪০ দিনের শোক! পহলভি রাজবংশের পতন থেকে কীভাবে ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছলেন তিনি?
- খামেনেয়ের মৃত্যু! মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি কোন দিকে, ভারতের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ
- রাতের শহরে মহিলাদের সুরক্ষায় বিশেষ বাহিনী রাজ্য সরকারের │ জানুন, কী সেই উদ্যোগ
- আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা! তিন ধাপে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, কীভাবে জানবেন আপনার নাম আছে কি না?
- লাদাখে বরফের ওপর ম্যারাথন! আফগান-পাক যুদ্ধ শুরুর ঠিক আগেই চিনের সীমান্তে ভারতের এই পদক্ষেপ কেন মাস্টারস্ট্রোক?

