Neha Singh Viral: রোবট কুকুর ও ড্রোন প্রদর্শন ঘিরে একটি ভাইরাল ভিডিও থেকে শুরু হওয়া বিতর্কে আলোচনার কেন্দ্রে অধ্যাপিকা নেহা সিং; বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি, প্রযুক্তির উৎস এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে কখন কে ভাইরাল হয়ে যান, তা বলা সত্যিই কঠিন। এক মুহূর্তে অচেনা কেউ হয়ে উঠতে পারেন জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সাম্প্রতিক সময়ে ঠিক তেমনভাবেই আলোচনায় উঠে এসেছেন গ্রেটার নয়ডার Galgotias University-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর নেহা সিং। একটি ভাইরাল ভিডিও ক্লিপ, যেখানে ‘রোবট ডগ’ নিয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে—নেটদুনিয়ায় ঝড় তুলেছে।
কেন এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ? কারণ এটি শুধুমাত্র একজন শিক্ষিকার ভাইরাল হওয়ার গল্প নয়, বরং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি প্রদর্শন এবং তথ্যের স্বচ্ছতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। ভিডিওটি লক্ষাধিক মানুষ দেখেছেন, শেয়ার করেছেন, সমালোচনা করেছেন। এই প্রতিবেদনে আমরা জানব—কে এই নেহা সিং? কী ছিল সেই ভাইরাল ভিডিওতে? বিতর্কের সূত্রপাত কোথায়? এবং তাঁর পেশাগত যাত্রাপথই বা কী বলছে?
অধ্যাপক নেহা সিংয়ের ভাইরাল হওয়ার মূল কারণ একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিও ক্লিপ। সেখানে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে একটি চারপেয়ে রোবট—যাকে অনেকেই ‘রোবট ডগ’ বলে চেনেন—প্রদর্শন করা হচ্ছে। ভিডিওতে নেহা সিং দাবি করেন, এই রোবটটি নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব উদ্যোগে তৈরি। কিন্তু কিছু প্রযুক্তি-বিশেষজ্ঞ ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী দ্রুতই দাবি করেন, এটি আসলে চিনের একটি কোম্পানির তৈরি বাণিজ্যিক পণ্য। এরপর শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। শুধু তাই নয়, আরেকটি ভিডিওতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি ‘ফুটবল ড্রোন’-এর কথাও উল্লেখ করেন, যা পরে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের পণ্য বলে প্রমাণিত হয়।
লিঙ্কডইন সূত্রে জানা যায়, নেহা সিং গালগোটিয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের যোগাযোগ বিভাগের একজন সদস্য ছিলেন। ২০২৩ সালে তিনি এই প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন। তার আগে তিনি শারদা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও, তাঁর কর্মজীবনের একটি পর্যায়ে তিনি গীতম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন বলে জানা যায়। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে, লাইভ হিন্দুস্তানের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি ২০২৬ সালে দেবী অহল্যা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। তাঁর প্রোফাইল অনুযায়ী, যোগাযোগ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তাঁর বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। অর্থাৎ প্রযুক্তিগত প্রদর্শনের সঙ্গে সরাসরি তাঁর একাডেমিক বিষয় সম্পর্কিত না হলেও, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
তাঁর প্রোফাইল অনুযায়ী, যোগাযোগ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তাঁর বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। অর্থাৎ প্রযুক্তিগত প্রদর্শনের সঙ্গে সরাসরি তাঁর একাডেমিক বিষয় সম্পর্কিত না হলেও, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর নেহা সিংয়ের লিঙ্কডইন প্রোফাইলও দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, তাঁর প্রোফাইলে ‘Open to Work’ ট্যাগ যুক্ত রয়েছে। লিঙ্কডইনে এই ট্যাগ ব্যবহার করা হয় যখন কোনও পেশাজীবী নতুন চাকরির সুযোগ খুঁজছেন। ফলে অনেকেই অনুমান করছেন—এই বিতর্কের পর কি তিনি নতুন কর্মক্ষেত্রের সন্ধানে? যদিও এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বা নেহা সিংয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে সোশ্যাল মিডিয়া যুগে ব্যক্তিগত প্রোফাইলও যে কত দ্রুত জনসমালোচনার অংশ হয়ে উঠতে পারে, এই ঘটনা তার বড় উদাহরণ।
অধ্যাপক নেহা সিংয়ের ঘটনা আমাদের আবারও মনে করিয়ে দিল—ডিজিটাল যুগে তথ্যের স্বচ্ছতা কতটা জরুরি। অধ্যাপক নেহা সিংয়ের ভাইরাল হওয়ার ঘটনা কেবল একটি ব্যক্তিগত বিতর্ক নয়, এটি আমাদের ডিজিটাল সমাজের আয়না।
#AIImpactSummit2026, #ArtificialIntelligence #AIGovernance #NehaSingh #RobotDog #GalgotiasUniversity, #TrendingNews, #ViralVideo
সাম্প্রতিক পোস্ট
- স্মার্ট সিটির কর্পোরেট চাকচিক্যের আড়ালে ‘বিষ-জল’! আইটি হাবের ঠিকানায় সাপুরজির ই-ব্লকে হাহাকার
- ভাগ্য বদলাতে চান? গ্রহের প্রতিকার হিসেবে এই রঙের পোশাকই হতে পারে চাবিকাঠি!
- টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের জয় অব্যাহত │ লণ্ডভণ্ড চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান
- মঞ্চে উঠলেই ভয়? │ পাবলিক স্পিকিং ভীতি কাটানোর ৫টি কৌশল জানুন এখনই
- গায়ে হঠাৎ র্যাশ? মিথ ভেঙে জানুন, চিকেন পক্সের এই লক্ষণগুলো

