Made in India Defence Power: পরের মুখের ঝাল নয়, নিজের হাতেই মশলা পিসছে ভারত: মেড ইন ইন্ডিয়া অস্ত্রশক্তির সম্পূর্ণ খতিয়ান। এক সময় কারগিল যুদ্ধে আমরা তাকিয়ে ছিলাম বিদেশের দিকে, আর আজ আর্মেনিয়া থেকে ফিলিপিন্স—ভারতের অস্ত্র কিনছে বিশ্ব। পড়ুন ভারতের এই মহাজাগরণের বিস্তারিত দলিল। অগ্নি-৫ এর আগুনের হলকা থেকে শুরু করে তেজসের গর্জন—ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন আর আমদানিনির্ভর নয়। ডিআরডিও এবং দেশীয় প্রযুক্তির হাত ধরে কীভাবে বদলে গেল যুদ্ধের প্রস্তুতি?
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: ১৯৯৯ সাল। কারগিলের পাহাড়। পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীরা ওপরের বাঙ্কার থেকে গুলি চালাচ্ছে। আর নিচে ভারতীয় জওয়ানরা। সেই মুহূর্তে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ‘বফোর্স’ কামানের গোলা ছিল না, নাইট ভিশন গগলস ছিল হাতেগোনা, এমনকি কারগিলের সেই হাড়হিম করা উচ্চতায় ওড়ার মতো উপযুক্ত হেলিকপ্টারেরও অভাব ছিল। তৎকালীন সরকারকে তড়িঘড়ি ইজরায়েল আর রাশিয়ার কাছে ছুটতে হয়েছিল সাহায্যের জন্য। চড়া দামে, শর্তসাপেক্ষে অস্ত্র কিনতে হয়েছিল।
সেই দিন আর আজকের দিনের মধ্যে ব্যবধান প্রায় আড়াই দশকের। কিন্তু সামরিক সক্ষমতার বিচারে ব্যবধানটা কয়েক আলোকবর্ষের।
আজ যদি সীমান্তে কোনো উত্তেজনা তৈরি হয়, তবে ভারতকে আর ওয়াশিংটন বা মস্কোর দিকে তাকিয়ে থাকতে হয় না। কারণ, ভারতের তূণে এখন এমন সব ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ আছে, যার গায়ে লেখা— “Made in India”। আজ আমরা মিসাইল কিনছি না, মিসাইল বেচছি। আজ আমরা যুদ্ধবিমান ভাড়া করছি না, যুদ্ধবিমান তৈরি করছি।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ‘আত্মনির্ভরতা’ কি শুধুই স্লোগান? নাকি বাস্তবেও এর ভিত মজবুত? আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণার ল্যাবরেটরি থেকে সোজা রণক্ষেত্র পর্যন্ত—প্রতিটি দেশীয় অস্ত্রের কুণ্ডলী বিচার করব।
১. মিসাইল টেকনোলজি: ভারতের ইস্পাত কঠিন মেরুদণ্ড (The Missile Powerhouse)
ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO)-র সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো IGMDP (Integrated Guided Missile Development Programme)। ড. এ.পি.জে. আব্দুল কালামের স্বপ্নের এই প্রজেক্ট আজ ভারতকে মিসাইল শক্তিতে বিশ্বের সেরা ৫টি দেশের তালিকায় বসিয়ে দিয়েছে।
আসুন দেখে নিই ভারতের ‘মিসাইল আর্সেনাল’-এর রত্নগুলো:
ক. অগ্নি সিরিজ (The Fire Series – Strategic Ballistic Missiles)
অগ্নি হলো ভারতের স্ট্র্যাটেজিক ডিটারেন্স বা পারমাণবিক প্রতিরোধের মূল স্তম্ভ।
- অগ্নি-৫ (Agni-V): এটি ভারতের গর্ব। এটি একটি Intercontinental Ballistic Missile (ICBM)।
- রেঞ্জ: ৫,০০০ থেকে ৮,০০০ কিলোমিটার (আনুমানিক)। অর্থাৎ, পুরো এশিয়া, ইউরোপের অনেকটা এবং আফ্রিকার একাংশ এর আওতায়।
- গতি: শব্দের চেয়ে ২৪ গুণ বেশি জোরে (Mach 24) এটি লক্ষ্যভেদ করতে পারে।
- MIRV প্রযুক্তি: সাম্প্রতিক আপডেটে এতে ‘Multiple Independently Targetable Re-entry Vehicle’ প্রযুক্তি যুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ, একটি মিসাইল থেকেই একাধিক ওয়ারহেড গিয়ে বিভিন্ন শহরে আঘাত হানতে পারে। এটি ঠেকানো প্রায় অসম্ভব।
- অগ্নি-প্রাইম (Agni-P): এটি অগ্নি সিরিজের নতুন প্রজন্মের মিসাইল। এটি ওজনে হালকা (Composite material দিয়ে তৈরি), ক্যানিস্টার থেকে লঞ্চ করা যায় (Canisterized), তাই রেল বা রোড মোবাইল লঞ্চার থেকে যেকোনো মুহূর্তে ফায়ার করা সম্ভব। এর রেঞ্জ ১০০০-২০০০ কিমি, কিন্তু এর নির্ভুলতা বা ‘Accuracy’ পিনপয়েন্ট।
খ. ব্রহ্মোস: বিশ্বের দ্রুততম ক্রুজ মিসাইল (BrahMos – The Supersonic Legend)
ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি ব্রহ্মোস (Brahmaputra + Moskva) আজ বিশ্বের ত্রাস।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের একমাত্র সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল যা ল্যান্ড, সি এবং এয়ার—তিন জায়গা থেকেই ছোড়া যায়।
- গতি: ২.৮ ম্যাক (শব্দের প্রায় ৩ গুণ)।
- ঘাতক ক্ষমতা: এর গতিজ শক্তি (Kinetic Energy) এত বেশি যে, ওয়ারহেড ছাড়াও এটি শুধুমাত্র ধাক্কা দিয়েই একটি ছোট যুদ্ধজাহাজকে দুটুকরো করে দিতে পারে।
- ভবিষ্যৎ (BrahMos NG): এর একটি ছোট ভার্সন ‘BrahMos NG’ (Next Generation) তৈরি হচ্ছে, যা তেজস বিমানেও ফিট করা যাবে।
গ. আকাশ এবং আস্ট্রা: আকাশসীমার প্রহরী (Sky Defenders)
- আকাশ (Akash): এটি সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (SAM)। ৯৬% দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। এটি একসঙ্গে একাধিক শত্রুর যুদ্ধবিমানকে টার্গেট করতে পারে। এর নতুন সংস্করণ ‘আকাশ-এনজি’ (New Generation) আরও দ্রুত এবং নিখুঁত।
- আস্ট্রা (Astra): এটি ভারতের তৈরি প্রথম ‘Beyond Visual Range’ (BVR) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল। অর্থাৎ, পাইলট যে শত্রুকে চোখে দেখতে পাচ্ছেন না, তাকেও এই মিসাইল দিয়ে ধ্বংস করা সম্ভব। এর রেঞ্জ প্রায় ১১০ কিমি। এটি সুখোই-৩০ এবং তেজস বিমানে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ঘ. নাগ এবং হেলিনা: ট্যাঙ্ক ধংসকারী (Anti-Tank Systems)
শত্রুর আর্মার্ড কলাম বা ট্যাঙ্কের ভয়ের কারণ হলো ‘নাগ’ মিসাইল। এর হেলিকপ্টার ভার্সনটির নাম ‘হেলিনা’ (Helina) বা ‘ধ্রুবাস্ক্র’। এটি ‘Fire and Forget’ প্রযুক্তিতে কাজ করে—একবার টার্গেট লক করে দিলে আর দেখার দরকার নেই, এটি ট্যাঙ্ক খুঁজে ধ্বংস করবেই।
২. আকাশপথের যোদ্ধা: তেজস এবং প্রচণ্ড (Air Power)
যুদ্ধবিমান তৈরিতে ভারত যে সাফল্য দেখিয়েছে, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য। হ্যাল (HAL) আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট বানাচ্ছে।
LCA তেজস (Tejas – The Light Combat Aircraft)
অনেকে তেজসকে ছোট মনে করেন, কিন্তু এর ক্ষমতাই হলো এর ছোট আকার।
- গঠন: এটি বিশ্বের সবচেয়ে হালকা এবং ছোট মাল্টি-রোল সুপারসনিক ফাইটার। এতে গ্লাস ককপিট, ডিজিটাল ফ্লাই-বাই-ওয়্যার সিস্টেম এবং আধুনিক রেডার রয়েছে।
- কম্পোজিট মেটিরিয়াল: এর বডি কার্বন ফাইবার দিয়ে তৈরি, যা একে হালকা করে এবং শত্রুর রেডারে ধরা পড়ার ঝুঁকি কমায়।
- Mk1A ভার্সন: ভারতীয় বায়ুসেনা ইতিমধ্যে ৮৩টি তেজস Mk1A অর্ডার করেছে, যাতে AESA রেডার এবং মাঝ-আকাশে জ্বালানি ভরার সুবিধা রয়েছে।
LCH প্রচণ্ড (Prachand – The High Altitude Warrior)
কারগিল যুদ্ধের শিক্ষা থেকে তৈরি হয়েছে এই ‘লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার’ (LCH)।
- বিশেষত্ব: এটি বিশ্বের একমাত্র অ্যাটাক হেলিকপ্টার যা ৫,০০০ মিটার উচ্চতায় (সিয়াচেনের মতো জায়গায়) ল্যান্ড এবং টেক-অফ করতে পারে।
- অস্ত্র: এতে রয়েছে ২০ মিমি টারেট গান, রকেট এবং এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল ‘মিস্ট্রাল’। পাহাড়ি যুদ্ধে এর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই।
৩. নৌসেনার নীল দরিয়া: বিক্রান্ত এবং অরিহন্ত (Naval Dominance)
ভারত মহাসাগরে চিনের দাদাগিরি রুখতে ভারতীয় নৌসেনা এখন সম্পূর্ণ আত্মনির্ভর হওয়ার পথে।
- INS বিক্রান্ত (INS Vikrant): ভারত সেই হাতেগোনা ৫-৬টি দেশের ক্লাবে ঢুকে পড়েছে যারা নিজেদের বিমানবাহী রণতরী বানাতে পারে। কোচিন শিপইয়ার্ডে তৈরি এই ভাসমান শহরটি ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং-এর এক বিস্ময়। এটি ৩০টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার বহন করতে পারে।
- INS অরিহন্ত (INS Arihant): এটি ভারতের প্রথম দেশীয় নিউক্লিয়ার সাবমেরিন। এটি জলের নিচে মাসের পর মাস লুকিয়ে থাকতে পারে এবং প্রয়োজনে সেখান থেকেই নিউক্লিয়ার মিসাইল (K-15 বা K-4) ছুড়তে পারে। এটি ভারতের ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়ড’ (Nuclear Triad) বা জল-স্থল-আকাশ থেকে পরমাণু আক্রমণের ক্ষমতা পূর্ণ করেছে।
- ডেস্ট্রয়ার ও ফ্রিগেট: প্রোজেক্ট ১৫বি-এর অধীনে তৈরি আইএনএস বিশাখাপত্তনম বা আইএনএস মোরমুগাও—এগুলো বিশ্বের অন্যতম সেরা স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার। এতে ব্যবহৃত ইস্পাতও (DMR 249A) তৈরি করেছে ভারতের সেইল (SAIL)।
৪. আর্টিলারি এবং গ্রাউন্ড ওয়ারফেয়ার: পিনাকা ও এটিএজিএস (Artillery Power)
বোফর্স কেলেঙ্কারির পর ভারত দীর্ঘদিন কোনো কামান কেনেনি বা বানায়নি। কিন্তু এখন চিত্রটা বদলেছে।
- পিনাকা রকেট সিস্টেম (Pinaka MBRL): মহাদেবের ধনুকের নামে নাম। এটি একটি মাল্টি-ব্যারেল রকেট লঞ্চার। মাত্র ৪৪ সেকেন্ডে এটি ১২টি রকেট ছুড়ে প্রায় ৪ বর্গ কিলোমিটার এলাকা তছনছ করে দিতে পারে। আর্মেনিয়া এই সিস্টেমটি ভারতের থেকে কিনছে।
- ATAGS (Advanced Towed Artillery Gun System): এটি ডিআরডিও এবং টাটা/কল্যাণীর তৈরি ১৫৫ মিমি হাউইৎজার কামান। পরীক্ষায় এটি ৪৮ কিমি দূরে গোলা ছুড়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে। এর অটোমেটিক লোডিং সিস্টেম একে বিশেষ করে তুলেছে।
- অর্জুন ট্যাঙ্ক (Arjun MBT): যদিও এটি ভারী, তবুও অর্জুন মার্ক-১এ (Arjun Mk-1A) ভার্সনটি ফায়ারপাওয়ারে বিশ্বের যেকোনো ট্যাঙ্কের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে।
৫. ড্রোনের দুনিয়া: রুস্তম থেকে সোয়ার্ম (UAV & Drones)
ভবিষ্যতের যুদ্ধ হবে ড্রোন দিয়ে। এখানেও ভারত দ্রুত এগোচ্ছে।
- তাপস বিএইচ-২০১ (TAPAS-BH-201): এটি ভারতের তৈরি মিডিয়াম অল্টিটিউড লং এনডুরেন্স (MALE) ড্রোন। এটি নজরদারির জন্য তৈরি, যা মার্কিন প্রিডেটর ড্রোনের দেশীয় বিকল্প হওয়ার চেষ্টা করছে।
- ঘাতক (Ghatak): এটি ভারতের সবচেয়ে গোপন ড্রোন প্রজেক্ট। এটি একটি ‘স্টেলথ’ কমব্যাট ড্রোন (UCAV), যা শত্রুর রেডারে ধরা না দিয়ে বোমা ফেলতে পারবে। এর শেপ অনেকটা ‘Flying Wing’-এর মতো।
- সোয়ার্ম ড্রোন (Swarm Drones): ভারতীয় সেনাবাহিনী এখন ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন ব্যবহার করার প্রযুক্তি আয়ত্ত করেছে, যা একসঙ্গে শত্রুর ট্যাঙ্ক বা বাঙ্কার ধ্বংস করতে পারে।
৬. ছোট অস্ত্র, বড় সুরক্ষা (Small Arms & Gear)
শুধু বড় মিসাইল নয়, জওয়ানদের হাতের রাইফেলটিও এখন দেশীয়।
- আমেঠিতে তৈরি হচ্ছে AK-203 অ্যাসল্ট রাইফেল (ভারত-রাশিয়া যৌথ উদ্যোগ)। এটি পুরনো ইনসাস রাইফেলের জায়গা নিচ্ছে।
- কানপুরের Jacket Factory তৈরি করছে বিশ্বমানের বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, যা বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।
আত্মনির্ভরতা: চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা (Analysis of Challenges)
এত সাফল্যের পরেও আমাদের মাটিতে পা রাখা জরুরি। ১০০% আত্মনির্ভরতা এখনো আসেনি। ১. ইঞ্জিন প্রযুক্তি: আমরা এখনো জেট ইঞ্জিনের জন্য (যেমন তেজসের জন্য GE ইঞ্জিন) আমেরিকার ওপর নির্ভরশীল। ‘কাবেরী’ ইঞ্জিন প্রজেক্ট পুরোপুরি সফল হয়নি। ২. সেমিকন্ডাক্টর: মিসাইল ও রাডারের চিপ বা সেমিকন্ডাক্টর এখনো তাইওয়ান বা বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। ৩. ধীর গতি: ডিআরডিও-র প্রজেক্ট শেষ হতে প্রায়শই দেরি হয়, যা সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণে বাধা সৃষ্টি করে।
তবে সুখবর হলো, এখন বেসরকারি কোম্পানিগুলো (Tata, Adani, L&T, Mahindra) ডিফেন্স সেক্টরে বিশাল বিনিয়োগ করছে। ফলে উৎপাদনের গতি এবং গুণমান—দুটিই বাড়ছে।
আগামীর ভারত
গত ৫ বছরে ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানি ৩৩৪ শতাংশ বেড়েছে। আজ আমরা ফিলিপিন্সকে ব্রহ্মোস দিচ্ছি, আর্মেনিয়াকে পিনাকা দিচ্ছি, আফ্রিকাকে হেলিকপ্টার দিচ্ছি।
‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ এখন আর কোনো সরকারি ফাইলের নাম নয়, এটি ভারতের নতুন পরিচয়। যে দেশ একসময় শান্তির পায়রা ওড়াত, আজ সে শান্তিরক্ষার স্বার্থেই হাতে তুলে নিয়েছে শক্তিশালী ‘সুদর্শন চক্র’।
শত্রু জানুক, বন্ধুও জানুক—ভারত এখন নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে। তার আকাশ, তার জল, তার মাটি সুরক্ষিত তার নিজের তৈরি প্রযুক্তিতেই। এটাই নতুন ভারত, যে চোখে চোখ রেখে কথা বলতে জানে।
(আরও গুরুত্বপূর্ণ খবর ও রাশিফল আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল WhatsApp চ্যানেলে যোগ দিন! সবচেয়ে আগে পান জ্যোতিষ, অফবিট নিউজ, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি, বিনোদন, জীবনধারা ও অফবিট এক্সক্লুসিভ আপডেট —আমাদের WhatsApp Channel-এ যোগ দিন)
সাম্প্রতিক পোস্ট
- Gen Z-এর প্রেমের নতুন শব্দভান্ডার জানেন? ভালোবাসার নতুন ব্যাকরণ শিখুন | Gen Z Love Trends 2026
- ব্যস্ত সকালে এই ৫টি Tiffin Recipe রাখুন রোজের তালিকায় | Easy Tiffin Recipes
- ঠাকুর, দেবতা, ভগবান ও ঈশ্বর কি একই? গুলিয়ে ফেলার আগে জেনে নিন আসল তফাৎ | God vs Deity Meaning in Bengali
- জানুন, ব্যক্তি সুভাষের অনন্য প্রেমকাহিনী: সুভাষ ও এমিলি
- গান্ধী বনাম নেতাজি—মূল পার্থক্যটা কোথায়? | Gandhi vs Netaji

