Women safety helpline: নারী সুরক্ষায় বড় উদ্যোগ রাজ্য সরকারের। চালু হল বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর ‘এক আট এক’। জিও-ট্যাগিং প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত পৌঁছে যাবে নিকটবর্তী থানার সাহায্য।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: নারী সুরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার চালু করা হল বিশেষ নারী সুরক্ষা হেল্পলাইন নম্বর ‘এক আট এক’। সরকারের দাবি, যেকোনো বিপদ, হেনস্থা, নির্যাতন বা জরুরি পরিস্থিতিতে এই নম্বরে ফোন করলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের উদ্যোগে চালু হওয়া এই পরিষেবার মাধ্যমে শুধুমাত্র ফোন কল নয়, অত্যাধুনিক জিও-ট্যাগিং প্রযুক্তির সাহায্যেও মহিলাদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হবে। অর্থাৎ, কোনও মহিলা বিপদের মুখে পড়ে ‘এক আট এক’ নম্বরে ফোন করলে, তাঁর অবস্থান খুব দ্রুত ট্রেস করতে পারবে প্রশাসন। এরপর যে থানাটি তাঁর অবস্থানের সবচেয়ে কাছাকাছি, সেই থানায় সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা পৌঁছে যাবে।
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হল দ্রুত উদ্ধার এবং তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা প্রদান। রাস্তাঘাটে, কর্মস্থলে, বাড়ির বাইরে কিংবা যেকোনও জায়গায় কোনও মহিলা বিপদের সম্মুখীন হলে, তাঁকে আর একা লড়াই করতে হবে না। শুধু একটি ফোন কলেই সক্রিয় হয়ে উঠবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা।
কীভাবে কাজ করবে ‘এক আট এক’ নারী সুরক্ষা হেল্পলাইন? Women safety helpline
এই বিশেষ হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করার পর কলটি সরাসরি জরুরি সহায়তা কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত হবে। এরপর প্রযুক্তির মাধ্যমে কলকারীর বর্তমান অবস্থান জিও-ট্যাগিং করে শনাক্ত করা হবে।
এর ফলে পুলিশ খুব দ্রুত জানতে পারবে, ওই মহিলা ঠিক কোথায় রয়েছেন এবং কোন থানার আওতায় তিনি অবস্থান করছেন। সঙ্গে সঙ্গে কাছাকাছি থানাকে সতর্ক করা হবে এবং প্রয়োজনে পুলিশ টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করবে।
সরকারের দাবি, মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে।
বিপদে পড়লেই ফোন করুন ‘এক আট এক’ (Women safety helpline)
সরকারি তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোনও ধরনের হুমকি, শারীরিক হেনস্থা, রাস্তার নিরাপত্তাহীনতা, গার্হস্থ্য নির্যাতন কিংবা সন্দেহজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে অবিলম্বে ফোন করতে হবে নারী সুরক্ষা হেল্পলাইন নম্বর ‘এক আট এক’-এ।
প্রশাসনের বক্তব্য, এই পরিষেবা শুধু অভিযোগ গ্রহণের জন্য নয়, মহিলাদের দ্রুত সুরক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই তৈরি করা হয়েছে।
নারীদের নিরাপত্তায় প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার
এই উদ্যোগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল জিও-ট্যাগিং প্রযুক্তির ব্যবহার। সাধারণ হেল্পলাইনের (Women safety helpline) তুলনায় এই পরিষেবাকে অনেক বেশি কার্যকর বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, অনেক সময় আতঙ্কের মধ্যে সঠিক অবস্থান জানানো সম্ভব হয় না।
সেই সমস্যার সমাধান করতেই এবার প্রযুক্তির সাহায্যে সরাসরি লোকেশন ট্র্যাক করে উদ্ধারকাজ চালানো হবে। প্রশাসনের মতে, এতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অনেক সহজ হবে।
সাম্প্রতিক পোস্ট
- মেদিনীপুরের ‘বুবাই’ থেকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী: কণ্টকাকীর্ণ পথে শুভেন্দু অধিকারীর রাজকীয় উত্থানের মহাকাব্য
- মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নেওয়ার ঠিক আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন জোড়া পোস্ট শুভেন্দু অধিকারীর। কী লিখলেন তিনি?

